Op Sindoor

পর পর ফোন-ইমেল, ‘সিঁদুর’ থামাতে আমেরিকার পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! দাবি মার্কিন নথিতেই

সিঁদুর অভিযান নিয়ে পাকিস্তানের 'মিথ্যা ভাষ্য' ফাঁস!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৭:২৪

options
link
পর পর ফোন-ইমেল, ‘সিঁদুর’ থামাতে আমেরিকার পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! দাবি মার্কিন নথিতেই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের ‘সিঁদুর’ অভিযান শুরু হওয়ার পরেই সাহায্য চেয়ে আমেরিকার দ্বারস্থ হয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদ থেকে লাগাতার ফোন-ইমেল করা হয়েছিল ওয়াশিংটনে। মার্কিন প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক চেয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল অন্তত ৫০ বার। এমনটাই দাবি করা হল একটি মার্কিন নথিতে।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা নথিটি খতিয়ে দেখেছে। আমেরিকার বিদেশি এজেন্ট নিবন্ধন আইনের আওতায় তৈরি হওয়া সেই নথি অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের সময় মূলত ‘লবিস্ট’ (মধ্যস্থতাকারী)-দের সাহায্য নিয়েই মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। ‘স্কোয়্যার প্যাটন’ নামে একটি পাক ‘লবিস্ট’ সংস্থার সূত্রেই নথিটি পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নথিতে লেখা হয়েছে, “আমাদের আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রী মোদি সামরিক পদক্ষেপ স্রেফ স্থগিত করেছেন মাত্র। আবার পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে হামলা হতে পারে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সিঁদুর অভিযানের পর থেকেই পাকিস্তান দাবি করে আসছিল, ভারতই সংঘর্ষবিরতির আর্জি জানিয়েছে প্রথম। ভারতের সেই আর্জি মেনেই ইসলামাবাদ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে। নয়াদিল্লি অবশ্য বরাবরই সেই দাবি করেছে। তাদের দাবি, পাকিস্তান কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সংঘর্ষবিরতি চেয়েছিল বলেই ভারত তাতে রাজি হয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে আসা মার্কিন নথি ভারতের সেই বক্তব্যেই সিলমোহর দিল। প্রকারান্তরে ফাঁস করে দিল ইসলামাবাদের ‘মিথ্যা ভাষ্য’।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত বছর নভেম্বরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মসৃণ করতে ওয়াশিংটনের ছ’টি ‘লবিং’ সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান। তার জন্য ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারও খরচ করেছে তারা। চুক্তি অনুযায়ী, আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক থেকে পাকিস্তান যাতে লাভবান হয়, তা নিশ্চিত করাই ‘লবিং’ সংস্থারগুলির কাজ হবে। ঘটনাচক্রে, এরকম একটি ‘লবিং’ সংস্থার সঙ্গে চুক্তির কয়েক সপ্তাহ পরেই হোয়াইট হাউসে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও দাবি, গত বছর এপ্রিল-মে মাসেই ‘লবিং’ সংস্থায় ব্যয়বরাদ্দ বাড়িয়েছে পাকিস্তান। ঘটনাচক্রে, ওই সময়েই অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়েছিল ভারত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.