air-to-air missiles

পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে আমেরিকা, ‘দুর্বল বন্ধু’কে শক্তিশালী করতে তৎপর ট্রাম্প!

চিনের থেকে ২০টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২৫, ১৪:৪৫

options
link
পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে আমেরিকা, ‘দুর্বল বন্ধু’কে শক্তিশালী করতে তৎপর ট্রাম্প!
আমেরিকার অত্যাধুনিক AMRAAM মিসাইল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সংঘাত আবহে আমেরিকার হাত ধরে নিজেদের শক্তি বাড়াতে তৎপর পাকিস্তান। জানা যাচ্ছে, ভারতের মার সামলাতে এবার আমেরিকার অত্যাধুনিক এয়ার টু এয়ার মিসাইল AMRAAM কিনতে চলেছে ইসলামাবাদ। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রকাশ্যে এসেছে এই চুক্তি।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের দহরম-মহরমের মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিভাগের একটি অস্ত্র চুক্তির রিপোর্ট সামনে সামনে এসেছে। যেখানে আমেরিকার AIM-120 অ্যাডভান্সড মিডিয়াম-রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল (AMRAAM) কিনছে পাকিস্তান। এই চুক্তির মাধ্যমে এই মিসাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা রেথিয়ন ইতিমধ্যেই ৪১.৬ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির ২.৫১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এই চুক্তিতে ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং সৌদি আরব-সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ এই দেশগুলিও আমেরিকার থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে। চুক্তির ভিত্তিতে ২০৩০ সালের মে মাসের মধ্যে দেশগুলির হাতে তুলে দেওয়া হবে ক্ষেপণাস্ত্র। যদিও পাকিস্তান ঠিক কতগুলি AMRAAM ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারতের হাতে জোরালো চড় খেয়ে আমেরিকার কোলে বসেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ ও সেনাপ্রধান মুনির। নিজেদের খনিজ সম্পদ আমেরিকার হাতে তুলে দিতে একের পর এক চুক্তি করেছে দুই দেশ। নিজেদের বিরল খনিজের প্রথম চালানও আমেরিকাকে পাঠিয়েছে তারা। এই অবস্থায় আমেরিকার ছত্রছায়ায় থেকে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে এঁটে উঠতে পাকিস্তানের এই তৎপরতা অবশ্য নজর এড়াচ্ছে না নয়াদিল্লির।

Advertisement

এদিকে পাকিস্তানের পাশাপাশি সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। জানা যাচ্ছে, ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচে বাংলাদেশ চিনের থেকে ২০টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে। বাংলাদেশের উপদেষ্টা সরকারের তরফে এ বিষয়ে কিছু না জানানো হলেও সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের এই চুক্তিতে পাইলটদের প্রশিক্ষণ, রক্ষনাবেক্ষণ ও অন্যান্য ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ বায়ুসেনাকে আধুনিকরণের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে এই বিমান বাংলাদেশ বায়ুসেনার অন্তর্ভুক্ত হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.