Pakistan

অন্ধকারে ডুবে পাকিস্তান, ১২ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ নেই! প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ জনতার

পরিস্থিতি এতটাই খারাপ জায়গায় গিয়েছে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। যার জেরে ব্যাপক যানজট তৈরি হয় জাতীয় সড়কে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
অন্ধকারে ডুবে পাকিস্তান, ১২ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ নেই! প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ জনতার
এআই ছবি।

চরম বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। বিদ্যুৎহীন ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, করাচির মতো একের পর এক শহর। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থা চলছে। সবচেয়ে গুরুতর অবস্থা করাচির। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ জায়গায় গিয়েছে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। যার জেরে ব্যাপক যানজট তৈরি হয় জাতীয় সড়কে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়মিত ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে লোডশেডিংয়ে ভুগতে হচ্ছে তাদের।

Advertisement

পাকিস্তানের করাচিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে কে ইলেকট্রিক। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ চুরি রুখতে লাগাতার প্রচার অভিযান চালানো সত্ত্বেও বিদ্যুৎচুরিতে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। মানুষ বিল পরিশোধ করছে না। কয়েকশো কোটি টাকার বিল বকেয়া রয়েছে। এদিকে করাচির গরিবাবাদের বাসিন্দা ইমরান বলেন, “আমরা সময়মতো বিদ্যুৎ বিল শোধ করি, তারপরও ১২ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুতের সমস্যায় পাম্পিং স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। মিছিল ও বিক্ষোভের কারণে পুরো শহর অচল হয়ে পড়েছে।”

Advertisement

বিদ্যুৎহীন ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, করাচির মতো একের পর এক শহর। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থা চলছে। সবচেয়ে গুরুতর অবস্থা করাচির।

এদিকে প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, এই সমস্যার নেপথ্যে বহু কারণ হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, করাচিতে যে সংস্থা বিদ্যুৎ পরিবহণ করে তাদের তার সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় বিদ্যুতের ঘাটতি ও ত্রুটির সম্মুখীন হচ্ছে। কোনও এলাকায় লাইন বা ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার কারণে নির্ধারিত লোডশেডিংয়ের পরেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পাকিস্তানের অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাস এবং আরএলএনজি দ্বারা চালিত হয়। সম্প্রতি জ্বালানি সরবরাহের সমস্যা বিদ্যুৎ উৎপাদনকে প্রভাবিত করেছে। তৃতীয়ত, সংস্থাগুলি যেহেতু পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না তাই লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করছে।

Advertisement

এছাড়া গ্রীষ্মকালে করাচিতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। এই সময় মানুষ প্রচুর পরিমাণে এসি, ফ্যান ব্যবহার করেন। এর ফলে গ্রিডের উপর বিশেষ করে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে, ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। যখন সিস্টেম এই বর্ধিত চাপ সামলাতে পারে না, তখন কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার প্রয়োজন হয়। এর সঙ্গেই রয়েছে ব্যাপক চুরির সমস্যা। বিদ্যুৎ চুরি এবং কম বিল আদায়ের জেরে কিছু কিছু এলাকা ব্যাপক লোডশেডিংয়ের মুখে পড়ে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.