G7 summit

‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির

জি-সেভেন বৈঠকের মতো বৃহৎ মঞ্চকে ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী শুধু সব সমালোচনার জবাব দিলেন না, একই সঙ্গে কড়া বার্তা দিলেন আমেরিকাকেও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ০০:১০

options
link
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
জি-সেভেন বৈঠকে মোদি-ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত।

ওমান উপকূলে বাণিজ্যতরীতে মার্কিন হামলা এবং ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু নিয়ে উত্তাল দেশের রাজনীতি। লাগাতার তাঁকে বিদ্ধ করছে বিরোধী শিবির। অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এতদিন নীরব ছিলেন। যা নিয়ে প্রশ্নও উঠছিল। কেন ভারত আমেরিকাকে কড়া জবাব দিচ্ছে না, বিদ্ধ হতে হচ্ছিল কেন্দ্রকে। সব প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেছে নিলেন জি-৭ শীর্ষ বৈঠকের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চকে।

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে অন্য বিশ্বনেতাদের সাক্ষী রেখেই মোদি বললেন, “বহু ভারতীয়র প্রাণ গিয়েছে। যে নাবিকরা জলপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাঁদের নিরাপত্তা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে জলপথগুলি নিরাপদ থাকছে। এবং নাবিকরা নির্ভয়ে নিজেদের কাজটা করতে পারছেন।”

Advertisement

উল্লেখ্য, দিন তিনেক আগে ওমান উপকূলে বাণিজ্যতরীতে হামলা এবং ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মার্কিন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ভারতীয় নাবিকরা। তার জেরে দুঃখপ্রকাশ তো দূর, উলটে ভারতকে ‘শাসিয়েছে’ আমেরিকা। যা নিয়ে দেশের অন্দরে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। রবিবারই রাহুল দাবি করেন, “আমেরিকা রীতিমতো দাদাগিরি দেখাচ্ছে। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী অনুগত ভৃত্যের মতো সেই পালন করছেন।” তবে মঙ্গলবার জি-সেভেন বৈঠকের মতো বৃহৎ মঞ্চকে ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী শুধু সব সমালোচনার জবাব দিলেন না, একই সঙ্গে কড়া বার্তা দিলেন আমেরিকাকেও।

Advertisement

একই সঙ্গে মধ্য প্রাচ্যে শান্তিস্থাপনের যে উদ্যোগ আমেরিকা ও ইরান দুই দেশের তরফেই দেখা গিয়েছে সেটা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেছেন, “মধ্য প্রাচ্যে শান্তিস্থাপনের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। এই সংঘাতের জেরে আমাদের বন্ধু দেশগুলিতে জীবন এবং সম্পদহানি হয়েছে। তাছাড়া হরমুজের মাধ্যমে জলপথ বাণিজ্য বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় গটা বিশ্বের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “আজকের বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল আস্থার অভাব। পারস্পারিক বিশ্বাসের অভাব। আগামী দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, সেটা নির্ভর করতে ওই আস্থার উপরই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.