Russia

‘ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে রাজি, তবে…’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারিতে কী বলল রাশিয়া?

আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই তিন বছর পূর্ণ হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ০৯:৪৯

options
link
‘ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে রাজি, তবে…’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারিতে কী বলল রাশিয়া?
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের গদিতে বসে ফের সেই কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন ট্রাম্প। এমনকী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বা অতিরিক্ত কর চাপানোর। তবে ক্রেমলিন ট্রাম্পের যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার দাবিকে আমল দিতে নারাজ। তাদের বক্তব্য, ট্রাম্পের এহেন দাবি নতুন কিছু নয়। তবে ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে’আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি মস্কো।

Advertisement

গত বছরের নির্বাচনের আগে একাধিকবার ট্রাম্পকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি ক্ষমতায় এলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ থামিয়ে দেব।” তখনও তাঁর কথায় খুব একটা মাথা ঘামায়নি রাশিয়া। এরপর প্রেসিডেন্টের গদিতে বসে রিপাবলিকান নেতা বলেন, পুতিন যদি সোজা পথে যুদ্ধ থামান তাহলে ভালোই। কিন্তু সেটা না হলে নিষেধাজ্ঞা চাপানো, অতিরিক্ত কর চাপানোর মতো কঠিন পথে হাঁটতে হবে আমেরিকাকে। রিপাবলিকান পার্টির অন্যান্য নেতারাও দ্রুত ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Advertisement

এই প্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, “সাম্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সংলাপ চালাতে রাশিয়া প্রস্তুত। আমরা এই বিষয়ে ইশারা পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।” বলে রাখা ভালো, মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। কিন্তু তা কীভাবে করা হবে, তার কোনও রূপরেখা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করেননি ট্রাম্প। শান্তিচুক্তির জন্য পুতিন যেসব শর্ত দিয়েছেন, সেগুলোর মধ্যে পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনের সেনা প্রত্যাহার। তবে রুশ প্রেসিডেন্টের এই পূরণ করা বেশ কঠিন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধের ময়দানে এক ইঞ্চি জমিও তিনি ছাড়বেন না। ফলে আগামী দিনে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক হলে তাঁর ফল কী হবে সেদিকেই নজর কূটনীতিকদের। উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই তিন বছর পূর্ণ হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। হামলা পালটা হামলা, মৃত্যুমিছিল সবকিছুই অব্যাহত।

Advertisement

অন্যদিকে,হাতিয়ারের জন্য বিভিন্ন দেশের কাছে দরবার করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। রুশ হামলা প্রতিহত করার জন্য ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম যে দুর্বল হয়ে পড়েছে তা মেনে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। তাই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র শক্তিশালী করতে এবার ইটালির উপর ভরসা রাখছে কিয়েভ। বিশ্লেষকদের মতে, বাইডেন জমানার অবসানের কথা মাথায় রেখে ইটালি-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশের সঙ্গে জোট আরও মজবুত করতে চান জেলেনস্কি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.