Spain

মরক্কো থেকে স্পেনে প্রবেশের চেষ্টায় মৃত ৫৭! সিউটা থেকে ফিরে গেলেন ৫০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী

এদিকে সিউটা প্রশাসনের দাবি, সংখ্যাটা দু'দিনে সংখ্যাটা ৬০ হাজারেরও বেশি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৯:২৭

options
link
মরক্কো থেকে স্পেনে প্রবেশের চেষ্টায় মৃত ৫৭! সিউটা থেকে ফিরে গেলেন ৫০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী
উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত সিউটা স্পেনের এক স্বায়ত্তশাসিত শহর।

মরক্কো থেকে অবৈধ ভাবে স্পেনে প্রবেশের চেষ্টা বন্ধ করে মরক্কোয় ফিরে গিয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী। এমনটাই দাবি স্পেন। সেই সঙ্গে এও জানানো হয়েছে, এই ঘটনা বিপজ্জনক এই কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের।

Advertisement

উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত সিউটা স্পেনের এক স্বায়ত্তশাসিত শহর। জিব্রাল্টার প্রণালীর মাধ্যমে স্পেনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই জনপদটি মরক্কোর সীমান্ত সংলগ্ন। প্রায়ই মরক্কো থেকে সেখানে ঢোকেন অনুপ্রবেশকারীরা। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎই সেই সংখ্যাটা বাড়তে শুরু করেছে দ্রুত। স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতি থেকে শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ৪৮ হাজার ৩০০ জন অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েন সিউটায়। এদিকে সিউটা প্রশাসনের দাবি, সংখ্যাটা দু’দিনে সংখ্যাটা ৬০ হাজারেরও বেশি। এরপর সীমান্তের কাছে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হলে, মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী লাঠি ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে ভিড়কে পিছু হটতে বাধ্য করে এবং আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে স্পেনীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে। সংঘর্ষের পর একটি বাস ও সাতটি গাড়ির পোড়া অংশবিশেষ দেখা গিয়েছে সেখানে। পাশাপাশি স্পেনের দিক থেকে সীমান্তের বিভিন্ন অংশে সেনার পরিবহণ থাকায় শয়ে শয়ে অনুপ্রবেশকারী মরক্কোর দিকে আটকা পড়ে যায়। আরও জানা গিয়েছে, বহু অনুপ্রবেশকারীর দাবি, সেউটায় তাঁর কোনও খাবার বা আশ্রয় পাননি। তাই ফিরে যাচ্ছেন।

Advertisement

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শুক্রবার সেউটায় গিয়েছিলেন। যেখানে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ ও বিদ্রূপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তিনি সীমান্ত দিয়ে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের অনুপ্রবেশকে ‘স্পেনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে জানান, মরক্কোর পূর্ণ সহযোগিতায় অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। পরে জানানো হয়, অধিকাংশ অনুপ্রবেশকারীকেই ফেরত পাঠানো গিয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউটা ও মেলিলা আফ্রিকার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র স্থলসীমানা তৈরি করেছে। যদিও এই অঞ্চল দুটি দিয়ে ইউরোপে অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা অহরহই ঘটে, তবুও স্পেনের প্রশাসন সাম্প্রতিক এই বিপুল অনুপ্রবেশের ঘটনাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলেই বর্ণনা করেছে। এই ঘটনা অভিবাসন নীতি নিয়ে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকেও সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.