Taliban

নারীর কণ্ঠ রোধ অব্যাহত আফগানিস্তানে! বন্ধ হল একমাত্র মহিলা পরিচালিত রেডিও স্টেশন

তালিবান আছে তালিবানেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫, ১৬:০১

options
link
নারীর কণ্ঠ রোধ অব্যাহত আফগানিস্তানে! বন্ধ হল একমাত্র মহিলা পরিচালিত রেডিও স্টেশন
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২১ সালের আগস্টে যখন নতুন করে তারা কাবুল দখল করেছিল, তখন তাদের দাবি ছিল এটা নতুন তালিবান। কিন্তু অচিরেই দেখা যায় নারী স্বাধীনতা চলে গিয়েছে তলানিতে। তারপর থেকেই ‘কাবুলিওয়ালার দেশে’ দেখা গিয়েছে আগ্রাসনের চরম সব মুহূর্ত। এবার সেদেশে বন্ধ হয়ে গেল একমাত্র মহিলা পরিচালিত রেডিও স্টেশন ‘রেডিও বেগম’। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কম্পিউটার থেকে হার্ড ড্রাইভ, ফাইল থেকে ফোন- সব । আটক করা হয়েছে সেখানকার মহিলা কর্মীদের। আটক দুই পুরুষ কর্মীও। তাঁদের ‘অপরাধ’ সম্প্রচার নীতি লঙ্ঘন ও স্টেশনের লাইসেন্সের চূড়ান্ত অপব্যবহার।

Advertisement

তালিবানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই স্টেশনের সম্প্রচার বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কেননা সেখানে ‘অননুমোদিত’ বিষয়বস্তুর সম্প্রচার হচ্ছিল। এবং সেই সম্প্রচার একটি বিদেশি টিভি চ্যানেলেও হচ্ছিল। যদিও রেডিও স্টেশনটির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেখানে স্বাস্থ্য, মনস্তত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক বিষয়ই সম্প্রচারিত হত। এবং যে কোনও ধরনের রাজনৈতিক সংস্পর্শ থেকে তারা দূরেই থাকত। প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা যে সম্প্রচার হত, তার লক্ষ্যই ছিল মহিলাদের শিক্ষিত করে তোলা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘রেডিও বেগম’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ করেছে মানবাধিকার গোষ্ঠী ‘রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডার্স’। তালিবানি পদক্ষেপের নিন্দা করে স্পষ্ট দাবি তোলা হয়েছে, দ্রুত ফের সম্প্রচার শুরু করতে দেওয়া হোক রেডিও স্টেশনটিকে। প্রসঙ্গত, ওই স্টেশনের ‘সিস্টার চ্যানেল’টি রয়েছে প্যারিসে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬-২০০১ সাল ছিল ‘কাবুলিওয়ালার দেশে’র প্রথম তালিবান জমানা। ২০২১ সালে নতুন করে আফগানিস্তান দখল করে জেহাদিরা। ক্ষমতায় আসার পর যদিও তারা দাবি করেছিল এটা তালিবান ২.০, অচিরেই দেখা যায় তা কেবল কথার কথাই। শুরু হয় একই রকমের আগ্রাসন। বিশেষত নারীর স্বাধীনতা একেবারেই চলে যায়। পাশাপাশি অন্যান্য অবদমন তো আছেই। গত আগস্টেই জানা গিয়েছিল, দাড়ি না থাকার ‘অপরাধে’ চাকরি গিয়েছে আফগানিস্তানের ২৮০ জন নাগরিকের। তাছাড়া গত এক বছরে ২১ হাজার ৩২৮টি বাদ্যযন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কয়েক হাজার কম্পিউটার অপরেটরকে অনৈতিক সিনেমা ছড়ানোয় বাধা দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.