United Nation

অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার গণহত্যা! পাকিস্তানের কাছে প্রতিটি মৃত্যুর হিসেব চাইল রাষ্ট্রসংঘ

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠল রাষ্ট্রসংঘ। সেনা অভিযানে অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিটি মৃত্যুর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৯:৪৩

options
link
অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার গণহত্যা! পাকিস্তানের কাছে প্রতিটি মৃত্যুর হিসেব চাইল রাষ্ট্রসংঘ
অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যার ঘটনায় সরব রাষ্ট্রসংঘ।

পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আগুন ভয়াবহ আকার নিয়েছে অধিকৃত কাশ্মীরে। বন্দুকের নলে সে বিদ্রোহ দমন করতে উঠেপড়ে লেগেছে পাক সেনা। মৃত্যু হয়েছে বহু প্রতিবাদীর। এই ঘটনায় এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠল রাষ্ট্রসংঘ। সেনা অভিযানে অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিটি মৃত্যুর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেনেভার তরফে জারি করা বিবৃতিতে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচনের আগে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

Advertisement

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুন মাস থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এদের অধিকাংশই বিক্ষোভকারী। যদিও বেশ কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীরও মৃত্যু হয়েছে। তুর্ক বলেছেন, এই সব মৃত্যুর অবিলম্বে পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা বাহিনী উভয়ের মৃত্যুরই তদন্ত হওয়া উচিত। এদিকে অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)-কে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান সরকার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বহু কর্মী-সমর্থককে। এই ঘটনারও নিন্দায় সরব হয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

Advertisement

অধিকৃত কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা অবিলম্বে চালু করার আবেদন জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নাগরিক সমাজের একটি সংগঠনকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা এবং জনসমাবেশের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্পূর্ণ অন্যায়। এই ঘটনা মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার এবং সংগঠনের স্বাধীনতার মতো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন। যা নিশ্চিতভাবে উদ্বেগের বিষয়। তুর্ক বলেন, আটক হওয়া জেএএসি নেতাদের আইনি সহায়তা এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া উচিত। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ বিচার ও যথাযথ প্রক্রিয়ার অধিকার সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত করা উচিত পাকিস্তান সরকারের। একইসঙ্গে অধিকৃত কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা অবিলম্বে চালু করার আবেদন জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

Advertisement

উল্লেখ্য, অস্বাভাবিক হারে কর বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি তো ছিলই, তার উপর পাক সরকারের দমনপীড়নে অতিষ্ঠ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা। পাক সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে টানা প্রতিবাদ মিছিল করছে জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। প্রতিবাদ রুখতে বিভিন্ন জায়গায় পাক রেঞ্জার্স ও পুলিশবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। লস্কর-সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিক্ষোভ থামাতে। চলছে নৃশংস অত্যাচার, গুম খুন। এরই প্রতিবাদে আন্দোলন আরও তীব্র করেছে অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা পাশাপাশি ভারতেরও সাহায্য চেয়েছে অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.