মার্কিন বিদেশ সচিব

‘ভারতের গণতন্ত্রকে সম্মান করি’, CAA বিতর্কের মধ্যেই তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা আমেরিকার

সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে চিন্তার কারণ নেই, আমেরিকাকে জানালেন বিদেশমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৬:৪৩

options
link
‘ভারতের গণতন্ত্রকে সম্মান করি’,  CAA বিতর্কের মধ্যেই তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা আমেরিকার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব বিল নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা কমল ভারতের উপর। এই বিল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পেম্পেও (Mike Pompeo) জানিয়ে দিলেন, ভারতের গণতন্ত্রকে তাঁরা সম্মান করেন। এত বিশদে ভারতের সংসদে আলোচনা হয়, সেটা লক্ষনীয় বিষয়। তাঁর ইঙ্গিত, সংশোধিত নাগরিকত্ব বিল যেহেতু ভারতের সংসদে বিস্তারিত আলোচনার পর পাশ হয়ে গিয়েছে, তাই তাঁদের এতে কিছু বলার নেই।

Advertisement


আগের রাতেই নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে বেশ কড়া ইঙ্গিত দিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কড়া বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারতে যে সব ঘটনা ঘটছে তা আমরা নজরে রেখেছি। শান্তিপূর্ণ জমায়েত ও বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি।” দুই দেশের মধ্যে টু-প্লাস-টু বৈঠকের আগে জামিয়া মিলিয়ার ঘটনা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনারও প্রস্তাব দিয়েছিল আমেরিকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভ: পড়ুয়াদের উপর পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব অক্সফোর্ড থেকে এমআইটি]

রাত পোয়াতেই অবশ্য কিছুটা সুর নরম করার ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পেম্পেও। ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন বিদেশ সচিব বললেন, “আমরা সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে শুরু থেকেই ভেবে এসেছি। ভবিষ্যতেও ভাবব। একই সঙ্গে আমরা ভারতের গণতন্ত্রকেও সম্মান করি। আপনারাও দেখেছেন, ভারতের সংসদে কত বিস্তারিতভাবে বিল নিয়ে আলোচনা হয়।” মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে সংখ্যালঘু ইস্যুতে কড়া জবাব দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরও( (Subrahmanyam Jaishankar)। আমেরিকাকে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই।

জয়শংকর সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা যদি বিতর্কিটি ভালভাবে নজরে রাখতেন তাহলেই বুঝতে পারতেন, এটার একটাই উদ্দেশ্য। সেটা হল ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া। আর কিছু নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন