Texas Hanuman statue

ট্রাম্পের দেশে তুঙ্গে হিন্দুবিদ্বেষ, হনুমানকে ‘তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েন’ বলে তোপ সমাজকর্মীর!

বিতর্কের সূত্রপাত টেক্সাসের একটি হনুমান মূর্তি ঘিরে। মাসকয়েক আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের নেতা ওই হনুমান মূর্তিকে 'ভুয়ো হিন্দু দেবতার ভুয়ো মূর্তি' বলে অপমান করেছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
ট্রাম্পের দেশে তুঙ্গে হিন্দুবিদ্বেষ, হনুমানকে ‘তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েন’ বলে তোপ সমাজকর্মীর!
২০২৪ সালে উন্মোচন করা হয়েছিল টেক্সাসের এই হনুমানমূর্তি। ফাইল ছবি।

মাসকয়েক আগে অপমান করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের নেতা। এবার হনুমানকে তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েন বলে কটাক্ষ করলেন এক মার্কিন সমাজকর্মী। হনুমান মূর্তির (Texas Hanuman statue) ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে কার্লোস তুরকিওস নামে ওই সমাজকর্মীর কটাক্ষ, ‘তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েনরা আমেরিকা দখল করে নিচ্ছে’। তবে ওই সমাজকর্মীকে পালটা দিতে ভোলেননি আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা।

Advertisement

বিতর্কের সূত্রপাত টেক্সাসের একটি হনুমান মূর্তি ঘিরে। ২০২৪ সালে উন্মোচন করা হয়েছিল টেক্সাসের এই হনুমানমূর্তি। আমেরিকার উচ্চতম হিন্দু মূর্তিগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। সবমিলিয়ে আমেরিকার তৃতীয় উচ্চতম মূর্তি এটি। কিন্তু ট্রাম্পের জমানায় আচমকাই এই মূর্তিকে বারবার কটাক্ষ করা হচ্ছে। গতবছর রিপাবলিকান নেতা আলেকজান্ডার ডানকান বলেন, ‘এক ভুয়ো হিন্দু দেবতার ভুয়ো মূর্তি, সেটা টেক্সাসে থাকার অনুমতি দেব কেন আমরা? আমরা তো খ্রিস্টান রাষ্ট্র।’ তাঁর মতে, খ্রিস্টান দেশে হিন্দু দেবতার মূর্তি থাকাই উচিত নয়।

Advertisement

যদিও সাংবিধানিকভাবে বা সরকারিভাবে আমেরিকা খ্রিস্টান দেশ নয়, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। সেদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক খ্রিস্টধর্ম পালন করেন। কিন্তু আবারও মার্কিন মুলুকে হিন্দু দেবতাকে কটাক্ষ করা হল। এক্স হ্যান্ডেলে কার্লোস নামে ওই সমাজকর্মী হনুমান মূর্তির ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, ‘এটা পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বা ভারতের নয়াদিল্লি নয়। এটা টেক্সাস। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের এলিয়েনরা এসে টেক্সাস আর আমেরিকা দখল করে নিচ্ছে। কেন এই মূর্তিটা আমেরিকার তৃতীয় উচ্চতম মূর্তির তকমা পাবে? এই আগ্রাসন বন্ধ হোক।’

Advertisement

এই পোস্ট দেখেই ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। তাঁদের মতে, ভারতীয়দের এবং তাঁদের ধর্মবিশ্বাসকে তৃতীয় বিশ্বের সঙ্গে তুলনা করে অত্যন্ত অপমান করেছেন ওই সমাজকর্মী। নেটিজেনরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, বৈধভাবে কেনা জমিতে যাবতীয় নিয়ম মেনে মূর্তি তৈরি হয়েছে। তাহলে সেটা নিয়ে আপত্তি কেন? তাছাড়া দেবতার মূর্তিকে ঘিরে এমন অপমানজনক ভাষা ব্যবহারই বা কেন? মার্কিন সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে নিজের পছন্দমতো ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেয়, সেটাও কার্লোসকে মনে করিয়ে দিয়েছে নেটদুনিয়া।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.