Operation Sindoor

আমেরিকার মুখে সিঁদুর স্তুতি! পাকিস্তানের দম্ভ চূর্ণ করে কী বার্তা মার্কিন সেনাকর্তার?

চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দেন মার্কিন সেনাকর্তা। বলেন, ভারত ও আমেরিকার স্বার্থ একই। প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে আমাদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:৪০

options
link
আমেরিকার মুখে সিঁদুর স্তুতি! পাকিস্তানের দম্ভ চূর্ণ করে কী বার্তা মার্কিন সেনাকর্তার?
মার্কিন সেনাকর্তা অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারো। ফাইল ছবি

আমেরিকার মুখে ‘অপারেশন সিঁদুরের’ (Operation Sindoor) প্রশংসা! ট্রাম্পের উলটো মেরুতে হেঁটে এবার ভারতীয় সেনার স্তুতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারোর। সিঁদুর চলাকালীন ভারতীয় সেনার সংযমের প্রশংসা করেন এই সেনাকর্তা। বলার অপেক্ষা রাখে না, পাপারোর বার্তা অস্বস্তি বাড়াল পাকিস্তানের। পাশাপাশি নাম না করে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা আগ্রাসন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

Advertisement

রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে মার্কিন সেনাকর্তা বলেন, “আমি মনে করি এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় জাতির কাছে উদ্বেগের। তবে ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে তার প্রশংসা করি আমরা।” পাশাপাশি এই যুদ্ধের সময় পাক ক্ষেপণাস্ত্র ও চিনা সামরিক সরঞ্জামের ব্যবহার প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। এই বিষয়ে সরাসরি উত্তর না দিলেও পাপারো বলেন, “এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি প্রয়োজন, সর্বক্ষণ সতর্ক থাকতে হয়। শক্তিশালী প্রতিরোধ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।” ভারতীয় সেনার কৌশল ও আত্মদর্শনেরও প্রশংসা করেন মার্কিন সেনাকর্তা।

Advertisement

চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দেন মার্কিন সেনাকর্তা। বলেন, ভারত ও আমেরিকার স্বার্থ একই। প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে আমাদের।

এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দেন মার্কিন সেনাকর্তা। বলেন, ভারত ও আমেরিকার স্বার্থ একই। প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে আমাদের। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে। ভারত মহাসাগরে ভারতের অবদানের জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ। উভয় দেশই সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের স্বাধীনতার নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Advertisement

এই অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে পাপারো বলেন, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিশ্বের ৬০ জনসংখ্যার বাস, বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০শতাংশের বেশি এবং শীর্ষ ১০টি সামরিক বাহিনীর মধ্যে সাতটি অবস্থিত এখানে। ফলে এই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য। সামরিক নেতাদের পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের অবশ্যই সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং যেকোনও পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.