Mohan Bhagwat

নিজ দেশেই সাদা-কালোর বিভাজন! ভগবতের সফরের আগেই সংঘকে নিষিদ্ধের দাবি মার্কিন কর্তা আসিফের

সম্প্রতি আসিফ বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংঘের সদস্য। ভারতীয় এই সংগঠনটির বহু শাখা সংগঠন রয়েছে, যারা  খ্রিস্টান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর ধারাবাহিক হামলা চালায়। সংখ্যালঘুদের আক্রমণ করে। এখন সেই সংঘ প্রধান ভগবত আমেরিকা সফরের পরিকল্পনা করছেন।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৬:১৬

options
link
নিজ দেশেই সাদা-কালোর বিভাজন! ভগবতের সফরের আগেই সংঘকে নিষিদ্ধের দাবি মার্কিন কর্তা আসিফের
মোহন ভাগবত। ফাইল ছবি

নিজ দেশেই বর্ণবৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস। অথচ ভারতকে ধর্মীয় স্বাধীনতার পাঠ! রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর প্রধান মোহন ভগবতের (Mohan Bhagwat) নিউ ইয়র্ক সফরের আগেই আরএসএস-কে নিষিদ্ধের দাবি তুললেন মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা সংস্থা (ইউএসসিআইআরএফ)-র কর্তা আসিফ মাহমুদ।

Advertisement

সম্প্রতি আসিফ বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংঘের সদস্য। ভারতীয় এই সংগঠনটির বহু শাখা সংগঠন রয়েছে, যারা  খ্রিস্টান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর ধারাবাহিক হামলা চালায়। সংখ্যালঘুদের আক্রমণ করে। এখন সেই সংঘ প্রধান ভগবত আমেরিকা সফরের পরিকল্পনা করছেন।” ইউএসসিআইআরএফ কমিশনার জিন মিলস আসিফের এই মন্তব্যটি প্রকাশ্যে এনেছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “সংঘ নেতারা ভারত সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাঁদের সঙ্গে কোনও উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক করা উচিত নয়। এমনকী কূটনৈতিক সৌজন্যের মাধ্যমে সম্মানিত করাও উচিত নয়। পরিবর্তে, মার্কিন সরকারের উচিত ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের দায়ে সংঘের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।” অন্যদিকে, আমেরিকার মানবাধিকার সংস্থা ‘হিন্দুস ফর হিউম্যান রাইটস’ও ভগবতের এই সফরের সমালোচনা করেছে।

Advertisement

কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ওয়াশিংটন বারবার ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে। কিন্তু আমেরিকার সমাজ কি বৈষম্য থেকে মুক্ত? সাদা ও কালো চামড়ার নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে আলোচিত নাম হল – জর্জ ফ্লয়েড।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত মার্চে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে ইউএসসিআইআরএফ একটি রিপোর্ট পেশ করে। সেখানে দাবি করা হয়, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। ভারতের বেশ কিছু সংস্থা এবং নাগরিকের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর সুপারিশও করে সংস্থাটি। তার মধ্যেই ছিল ‘বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি’ সংঘের নাম। শুধু তাই নয়, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’কেও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেয় ইউএসসিআইআরএফ। তাদের মতে, এই দুই সংস্থার দ্বারা ভারতে ধর্মপালনের স্বাধীনতা বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই মার্কিন মুলুকে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা উচিত এবং তাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে হবে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.