টিকটক

টিকটকের মালিকানা ‘চুরি’ করছে আমেরিকা! তোপ দেগে ‘বদলা’র হুঁশিয়ারি চিনের

চিন এখন আমেরিকার বিরুদ্ধে অনেক রকম পদক্ষেপ করতে পারে, হুঁশিয়ারি বেজিংয়ের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২০, ১৭:৪৭

options
link
টিকটকের মালিকানা ‘চুরি’ করছে আমেরিকা! তোপ দেগে ‘বদলা’র হুঁশিয়ারি চিনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিকটকের মালিকানা নিয়ে ফের চিন-আমেরিকার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়ে গেল। চিনের দাবি, আমেরিকা টিকটক কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করছে সংস্থার মালিকানা বিক্রি করতে। অনিচ্ছা সত্বেও মার্কিন সংস্থার সামনে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে চিনা সংস্থা বাইটডান্স (ByteDance)। আমেরিকার এই ‘চুরি’ কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেজিং।

Advertisement

উল্লেখ্য, রবিবারই মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তাঁরা আমেরিকা-সহ একাধিক দেশে টিকটকের মালিকানা নিয়ে চুক্তি করছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চিনা সংস্থা বাইটডান্সের কাছ থেকে একাধিক দেশে টিকটকের মালিকানা কিনে নিতে চলছে মাইক্রোসফট (Microsoft)। আর বাইটডান্স এবং মাইক্রোসফটের মধ্যেকার এই চুক্তি সম্পন্ন করতে মধ্যস্থতা করছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, সংস্থার সিইও সত্য নাদেলা নিজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। আর ট্রাম্প বাইটডান্সকে ৪৫ দিন সময় দিয়েছেন, এই চুক্তিটি সেরে ফেলার জন্য। সেটা না হলে তিনি কড়া পদক্ষেপের দিকে এগোবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমেরিকাতেও টিকটক নিষিদ্ধ ঘোষণা ট্রাম্পের, চিনা অ্যাপটি কিনতে আগ্রহী মাইক্রোসফট]

চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস বলছে, আমেরিকার সরকার যেভাবে বাইটডান্সের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, সেটা আসলে চুরির শামিল। আর শুধু বাইটডান্স নয়, হুয়েইয়ের মতো অন্য চিনা সংস্থার সঙ্গেও নিন্দনীয় আচরণ করছে মার্কিন প্রশাসন। বাইটডান্স এবং হুয়েইয়ের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করে আসলে আমেরিকা বুঝিয়ে দিয়েছে, চিনের সঙ্গে কোনওরকম আর্থিক সম্পর্ক তাঁরা রাখতে চায় না। চিন সরকার চাইলেই এর ‘বদলা’ নিতে পারে। আগে আমেরিকা প্রযুক্তির দিক থেকে চিনের থেকে অনেকটা এগিয়ে ছিল, তাই চাইলেও প্রতিবাদ করা সম্ভব হত না। এখন চিন বিশ্বের কাছে প্রযুক্তির দরজা খুলে দিয়েছে। আমাদের কাছে এর প্রতিবাদ করার বহু রাস্তা আছে। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের এই হুঁশিয়ারি বস্তুত, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের আরও অবনতির ইঙ্গিত বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.