Donald Trump

হাউথিদের উপর হামলায় প্রস্তুত ছিল আমেরিকা! সৌদিকে সংকটে ফেলে কেন ‘ইউ টার্ন’ ট্রাম্পের?

‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোহিত সাগরের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হাউথি আগ্রাসনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে সৌদি। এরপরই তাদের ‘শিক্ষা দিতে’ আমেরিকাকে সামরিক অভিযানের অনুরোধ জানায় রিয়াধ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
হাউথিদের উপর হামলায় প্রস্তুত ছিল আমেরিকা! সৌদিকে সংকটে ফেলে কেন ‘ইউ টার্ন’ ট্রাম্পের?
গত সপ্তাহ থেকে সৌদি আরবে ভয়ংকর হামলা শুরু করেছে হাউথিরা।

লক্ষ্যবস্তুগুলিতে হামলা চালানোর অনুমোদন মিলে গিয়েছিল। যুদ্ধবিমানে বোঝাই করা হচ্ছিল বোমা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইয়েমেনের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী তথা ইরান সমর্থিত হাউথিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে আচমকা সরে আসে আমেরিকা। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’।

Advertisement

‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোহিত সাগরের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হাউথি আগ্রাসনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে সৌদি। এরপরই তাদের ‘শিক্ষা দিতে’ আমেরিকাকে সামরিক অভিযানের অনুরোধ জানায় রিয়াধ। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে কিছুটা দোলাচলে ছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু গত সপ্তাহে সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সালমান জরুরি ভিত্তিতে ট্রাম্পকে (Donald Trump) ফোন করেন। হাউথিদের তৎপরতা রুখতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তারপরই ইয়েমেনে হাউথি ঘাঁটিগুলিতে বোমাবর্ষণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, তিনি পেন্টাগনকে ইয়েমেনে বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আচমকা সিদ্ধান্ত বদল করেন ট্রাম্প।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন হাউথিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো না আমেরিকা, তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসও এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মহলের অধিকাংশই হাউথিদের বিরুদ্ধে এখনই সংঘাতে জড়াতে নারাজ। কারণ, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে এমনিতেই চাপ সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপর। এই অবস্থায় হাউথিদের সঙ্গে আবার সংঘাতে জড়ালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

Advertisement

গত সপ্তাহ থেকে সৌদি আরবে ভয়ংকর হামলা শুরু করেছে হাউথিরা। বাব-আল-মান্দেব প্রণালী ও মোখা বন্দর এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। হরমুজে ঝুঁকি বাড়ায় এই প্রণালীই এখন সৌদির তেল রপ্তানির প্রধান পথ। আপাতত যা বন্ধ। সৌদির একের পর এক শহরে চলছে হামলা। মক্কাতেও বেজে উঠেছে সাইরেন। এই পরিস্থিতিতে সৌদির পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা। সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আমেরিকার দূতাবাসে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে হাউথিদের। তারা জানিয়েছে, মার্কিন জাহাজে তারা কোনও হামলা করবে না। ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে তারা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.