‘লকডাউনের মধ্যেও কর্মীদের বেতন দিচ্ছি’, কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চাইছেন পলাতক মালিয়া

ঋণ শোধের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অর্থমন্ত্রীরকে অনুরোধ করলেন মালিয়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২০, ১৫:৩৬

options
link
‘লকডাউনের মধ্যেও কর্মীদের বেতন দিচ্ছি’, কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চাইছেন পলাতক মালিয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘লিকার ব্যারন’ বিজয় মালিয়া দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় বছর চারেক আগে। বহু কাঠখড় পুড়িয়েও তাঁকে এখনও দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। বারবার চেষ্টা করেও আশাহত হতে হয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের। আইনের ফাঁক ফোকর গলে বেশ কায়দা করেই ক্রমাগত নিজেকে বাঁচিয়ে যাচ্ছেন বিজয় মালিয়া। সরকার যেখানে মালিয়াকে বন্দি করায় উদ্যোগী সেখানে সরকারের কাছেই সাহায্যের আবেদন করে বসলেন বিজয় মালিয়া।

Advertisement

সম্প্রতি একটি টুইটে মালিয়া কেন্দ্র সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারত সরকার গোটা দেশে লকডাউন জারি করেছে। তাঁরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন। তাঁর সমস্ত কোম্পানির কাজকর্ম স্থগিত হয়ে গিয়েছে। সব উৎপাদন বন্ধ। অথচ তিনি কর্মীদের টাকা দিয়েই যাচ্ছেন। কর্মীদের বাড়ি ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে এগিয়ে আসার আবেদন করেছেন মালিয়া। তিনি আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কিংফিশার এয়ারলাইন্স যে ঋণ নিয়েছিল, তা তিনি ১০০ শতাংশ শোধ করে দেওয়ার কথা আগে বহুবার বলেছেন। কিন্তু কোনও ব্যাংক বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও তার কথায় আমল দিচ্ছে না। কিন্তু দেশের এই সঙ্গীন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী তাঁর সেই প্রস্তাব ভেবে দেখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন মালিয়া। 

Advertisement

[ আরও পড়ুন: দুস্থ শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা দিক কেন্দ্র, চিঠি দিল সংঘের শ্রমিক সংগঠন ]

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে কেন্দ্র সরকারকে আরও চাপে ফেলতে চাইছে বিজয় মালিয়া। একবার যদি ভারত সরকার বা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বর্তমান পরিস্থিতি ও মালিয়ার চাপের মুখে নতি শিকার করে, তবে পাশা পালটে যাবে। আবার বল চলে যাবে মালিয়ার কোর্টে। সেটাই তিনি চাইছেন। যদিও মালিয়ার এই টুইটের প্রেক্ষিতে ভারত সরকারের তরফে এখনও কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন বিজয় মালিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে ৯ হাজার কোটি টাকার আর্থিক তছরূপের অভিযোগ ছিল। ভারতের চোখে তিনি এখন অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত। ফেরার ব্যবসায়ীকে দেশে ফেরানো নিয়ে লন্ডনে ভারতীয় এজেন্সিগুলির আইনি লড়াই চলছে। তাঁকে বন্দি করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ব্রিটেনের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। ২০১৬ সালে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড মালিয়ার বিরুদ্ধে বন্দি প্রত্যর্পণের ওয়ারেন্ট জারি করে। যদিও এখন তিনি জামিনে মুক্ত।

[আরও পড়ুন: করোনার জের, বাড়ল ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহন রেজিস্ট্রির সময়সীমা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.