BREAKING NEWS

১১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  সোমবার ২৫ মে ২০২০ 

Advertisement

দুস্থ শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা দিক কেন্দ্র, চিঠি দিল সংঘের শ্রমিক সংগঠন

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: March 31, 2020 2:29 pm|    Updated: March 31, 2020 2:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের এক সপ্তাহ পূর্ণ হল মঙ্গলবার। কিন্তু সাতদিনেই খাদ্য-নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর জন্য হাহাকার দেশজুড়ে। বিশেষ করে দিন আনি দিন খাই মানুষরা সমস্যায় পড়েছেন বেশি। কেন্দ্র বড় আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করলেও নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে অন্ধকারে পরিযায়ী শ্রমিকরা। এবার সমাজের সেই খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য কেন্দ্রকে সাহায্যের হাত বাড়াতে বলল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। সংঘের ট্রেড ইউনিয়ন ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS) চিঠি লিখে কেন্দ্রকে আবেদন করল, ঘরবন্দি শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে অন্তত পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হোক।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে চিঠি পাঠিয়েছে বিএমএস। সেখানে শ্রমিক সংগঠন আরজি জানিয়েছে, মজদুরদের পোস্টাল বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠাক কেন্দ্র। যাদের নেই তাঁদের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে দিক বলে আবেদন করেছে বিএমএস। গেরুয়া শিবিরের ট্রেড ইউনিয়নের আরজি, বহুক্ষেত্রে সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষরা। সমাজের কিছু অসৎ ব্যক্তি তাঁদের প্ররোচনা দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মনোভাব তৈরি করছে। অ্যাকাউন্টে টাকা পেলে তাঁরা আর প্ররোচনায় পা দেবেন না।

[আরও পড়ুন: মানবিক উদ্যোগ! লকডাউনে রাজ্যের ২৭ লক্ষ শ্রমিককে অর্থ সাহায্য যোগী সরকারের]

বিএমএসের দাবি, কেন্দ্রের তরফে করোনা সচেতনতায় যে প্রচার করা হচ্ছে, বেশিরভাগ মজদুরদের কাছে তা সঠিক ভাবে পৌঁছাচ্ছে না। লকডাউন উপেক্ষা করে তাঁরা দলবেঁধে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। এর ফলে ঘরে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে বিভিন্ন রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা ভয়াবহ হতে পারে আগামিদিনে। চিঠিতে সেই কথা উল্লেখ করেছে বিএমএস। এদিকে, কয়েক লক্ষ ঘরে ফেরা শ্রমিককে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, যাঁদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যাতে কোনওভাবেই বাড়ির বাইরে পা না রাখতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য কমিউনিটি কিচেন খুলে সেখান থেকে রান্না করা খাবার বাড়ি বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement