হামলা-পালটা হামলায় অগ্নিগর্ভ মধ্যপ্রাচ্য। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী খুলতে এবার একগুচ্ছ নতুন শর্ত দিল ইরান। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল – মধ্যপ্রাচ্যে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে আমেরিকাকে। পাশাপাশি, তেহরানের উপর চাপানো নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু আদৌ কি শর্তগুলি মানবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
আরও পড়ুন:
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আমেরিকা যতক্ষণ না তাদের আচরণ সংশোধন করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব তথা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডার মহম্মদ বাঘের জোলঘাদর একটি প্রকাশ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানের শর্তগুলি মানে তবেই হরমুজ খোলা হবে। শর্তগুলি হল – আমেরিকাকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে হামলা বন্ধ করতে হবে, তেহরানকে কোনও হুমকি দেওয়া যাবে না, ইরানের সহযোগীদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও ইরানের বন্দরগুলির উপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, সরাতে হবে সেনাও। পাশাপাশি, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ইরানকে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তেহরানের উপর চাপানো সমস্ত নিষেধাজ্ঞা আমেরিকাকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং মুক্ত করতে হবে বাজেয়াপ্ত সম্পদও। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন এখনও মুখ খোলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এহেন শর্তের নেপথ্যে আসলে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজের উপর নিজেদের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে ইরান। যার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে। তাই ইরানের দেওয়া শর্তগুলি ট্রাম্প মানবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের