সুকুমার সরকার, ঢাকা: করোনা ভাইরাসের হামলায় বিপর্যস্ত চিন। বিশ্বের একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ রোগ। বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত সংক্রমণের ঘটনা না ঘটলেও, বিদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক শ্রমিক। এবার মানবতার নজির গড়ে ওই বাংলাদেশি শ্রমিকের পাশে দাঁড়িয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থা।
জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালে ভরতি আছেন এক বাংলাদেশি শ্রমিক। তাঁর চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্বভার বহন করছে সিঙ্গাপুর সরকার। কিন্তু আক্রান্ত ওই বাংলাদেশি শ্রমিক তাঁর পরিবারের একমাত্র উপাজর্নক্ষম ব্যক্তি। ফলে পরিবারের সদস্যরা তীব্র আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন। এহেন পরিস্থিতিতে ত্রাতার ভূমিকা নেয় মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টার (MWC) নামে সিঙ্গাপুরের একটি সংস্থা। আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারকে ১০ হাজার মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। শীঘ্রই ওই টাকা রোগীর পরিজনদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
সদ্য, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ না করতে নাগরিকদের কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর আগে শুধুমাত্র চিন সফরের ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসন। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমে জটিল ও ভয়াবহ হয়ে ওঠায় এ বার বিশ্বে যে কোনও দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা জারি করল সে দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ঢাকা বিমানবন্দরে চিন ফেরত নাগরিকদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কারও শরীরে করোনা পাওয়া যায়নি। তবে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না সরকার। তাই এবার বিশ্বের সমসত দেশেই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সফর না করার জন্য নাগরিকদের কাছে আরজি জানিয়েছে প্রশাসন।
[আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে কারখানা বন্ধের জের! বাংলাদেশে অনিশ্চিতের পথে আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ সরবরাহ]
সর্বশেষ খবর
-
রোগীর পরিজনদের ‘সাহায্য’ করার নামে প্রতারণা! এসএসকেএম থেকে পুলিশের জালে মহিলা দালাল
-
সীমান্তে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা, চলছে জাল আইডি তৈরি চক্র! শমীকের হুঙ্কার, ‘যে কোনও মূল্যে বন্ধ করবই’
-
মহিলা যাত্রী তুলতে অনীহা-হেনস্তা! অভিযোগ শুনতে চালু হেল্পলাইন, আর কী নির্দেশ অর্জুনের?
-
যেন মেয়েদের শচীন! এক ইনিংসেই জোড়া সর্বকালীন রেকর্ড স্মৃতির, এশিয়া কাপের সেমিতে ভারত
-
‘নো এন্ট্রি’ অথচ শহরে ঢুকছে বেআইনি ট্রাক! পুলিশের জালে সিন্ডিকেটের পান্ডা, নেপথ্যে কারা?