BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

পদ্মার চরে নববধূকে রাতভর লাগাতার ধর্ষণ, ধৃত ৪ যুবক

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: July 9, 2020 12:31 pm|    Updated: July 9, 2020 12:31 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

সুকুমার সরকার, ঢাকা: করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও নিজেদের বিকৃত কামনার পরিচয় দিচ্ছে কিছু মানুষ। বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার শিবচরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া এলাকায় সদ্য বিবাহিত এক যুবতীকে পদ্মা নদীর চরে লাগাতার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় বুধবার রাতে কাঁঠালবাড়ি (kanthalbari) ঘাট এলাকা থেকে একটি স্পিডবোটের চালক-সহ চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছ, যশোর (Jashore) জেলার বাসিন্দা ওই যুবতীর সঙ্গে গত এক সপ্তাহ আগে চাঁদপুরের এক যুবকের বিয়ে হয়। মেয়েটির স্বামী ঢাকার কেরানিগঞ্জ এলাকায় পদ্মা সেতু প্রকল্পে শ্রমিকের চাকরি করেন। তিন দিন আগে যুবতীটি তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়ি শিবচরের কাঁঠালবাড়ি এলাকার দানেস তালুকদারের বাড়ি বেড়াতে যান। মঙ্গলবার রাত ৯টার সময় স্বামীর কাছে কেরানিগঞ্জ যাওয়ার জন্য কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কারাগারে ‘বঙ্গবন্ধু’র উপর অমানবিক নির্যাতন, স্মৃতি হাতড়ে কেঁদে ফেললেন হাসিনা ]

অন্যদিকে মেয়েটির জন্য তাঁর স্বামীও নিজের কাজ শেষ করে শিমুলিয়াঘাটে অপেক্ষা করছিলেন। মেয়েটি কাঁঠালবাড়ির ফেরিঘাটে ওঠার পর একটি স্পিডবোটের চালক-সহ চার যুবক মেয়েটিকে দ্রুত শিমুলিয়া পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। এরপর অভিযুক্ত তিন যুবক মাসুদ মোল্লা, মাহবুব মৃধা, নুর মহম্মদ হাওলাদার মেয়েটিকে স্পিডবোটে নিয়ে যায়। স্পিডবোটটি কিছু সময় যাওয়ার পর কাঁঠালবাড়ির বুড়ার খেয়াঘাটে পৌঁছালে থেমে যায়। সেসময় চালক তেল আনার কথা বলে চলে গেলে ওই তিন যুবক মেয়েটিকে চরে নামিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে ধর্ষণ করে। পরে স্পিডবোট চালক তেল নিয়ে ফিরলে ওই তিন যুবক পালিয়ে যায়। মেয়েটি এই ঘটনার চালককে জানালে সে তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়।

গভীর রাতে মেয়েটির স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে শিমুলিয়া থেকে নদী পার হয়ে কাঁঠালবাড়ি আসেন। বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে শিবচর থানার উপপরিদর্শক বিষ্ণুপদ হীরা মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যান। আটক করা হয় বোটের চালককেও। এরপর ওই চালক ফারুক মিঞাঁকে জেরা করে বুধবার রাতেই ওই তিন যুবককে গ্রেপ্তার করে।

এপ্রসঙ্গে শিবচর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এই ঘটনায় ফারুক, মাসুদ মোল্লা, মাহবুল মৃধা ও নুর মহম্মদ হাওলাদার নামে চারজনকে আটক করা হয়েছে। নির্যাতিতা আসামিদের শনাক্ত করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ধৃতরা নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

[আরও পড়ুন: বাস্তবের সঙ্গে আন্তর্জাতিক রিপোর্টের মিল নেই! ব্যাপক গড়মিল বাংলাদেশের করোনা পরিসংখ্যানে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement