২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা:  পদ্মাপাড়ে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়ছেন শেখ হাসিনা। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরের সংসদ ভবনে  শপথ নিলেন তিনি। বিজয়ী ২৯১ জন সাংসদকেও শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। জয়ীদের মধ্যে ২৮৮ জন আওয়ামি লিগ-সহ মহাজোটের সাংসদ। এছাড়া শপথ নিয়েছেন ৩জন স্বতন্ত্র জনপ্রতিনিধি। দ্রুতই শুরু হবে নতুন সরকারের কাজ। শপথের পর শেখ হাসিনা সাংসদদের নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে গেলে, তাঁকে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মহম্মদ আবদুল হামিদ। তবে নির্বাচনে জয়ী হওয়া সত্ত্বেও এদিন শপথ নেননি বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনপ্রতিনিধিরা। ভোটে শাসকদলের কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে বরাবরই সরব ছিলেন তাঁরা। প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বিরোধিতা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের জয়ী প্রার্থীরা শপথ নিতে না নিলে তাঁদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে।

                                                    [ক্রিকেটার পরিচয়টাই মুখ্য মাশরাফির কাছে]

৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হয়। ৩০০র মধ্যে ২৯৯ টি আসনে ভোটগ্রহণের পর ওইদিনই গণনা শুরুর হওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায় আওয়ামী লিগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটই ফের ক্ষমতায় আসছে।২৮৮ আসনে জয়ী হন আওয়ামি লিগ এবং সহযোগী অন্যান্য দলের প্রার্থীরা। আর বিএনপি-সহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা পেয়েছেন মাত্র ৭টি আসন। বাকি দু’টির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। এছাড়া ব্রাক্ষণবেড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হবে বলে ফলাফল স্থগিত রয়েছে। ফের পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশের শাসনভার মুজিবকন্যার হাতে। দেশের মাটিতে জামাত-সহ অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কার্যকলাপ দমন-সহ আন্তর্জাতিক একাধিক ইস্যুকে প্রশাসনিক এবং  রাজনৈতিকভাবে সামাল দেওয়া এখন হাসিনার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং