২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন ‘আমফান’, আতঙ্কে কাঁটা বাংলাদেশ

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 19, 2020 1:58 pm|    Updated: May 19, 2020 1:58 pm

An Images

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ধেয়ে আসছে ‘সুপার সাইক্লোন’ আমফান। বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ত্রস্ত বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের উপকূল থেকে  ৫২৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আমফান। আজ বা মঙ্গলবার শেষ রাত থেকে আগামীকাল বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড়টি বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

[আরও পড়ুন: দুস্থদের পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ, শখের ব্রেসলেট ৪২ লক্ষ টাকায় নিলাম মাশরাফির]

সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটারের বেশি হলে তাকে সুপার সাইক্লোন হিসেবে ঘোষণা করে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরও একে সুপার ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি গতকাল রাত নয়টা পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে বলছে, সুপার ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল রাত ন’টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১ হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, কক্সবাজার বন্দর থেকে ৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঝড়টির ভয়াবহতা এতটাই যে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। কয়েক লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টারগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং এসব জেলার কাছের দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলায় অতিভারী বৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, আমফান অর্থ শক্তিমান বা শক্তিশালী। এটি থাই শব্দ। থাইল্যান্ডের আবহাওয়াবিদেরা এই নামটি দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: মারণ কামড় বসাচ্ছে করোনা, দেশীয় চিকিৎসায় ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই বাংলাদেশের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement