Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bangladesh

ভারতে আটকে পড়া নাগরিকদের স্বস্তি দিয়ে ৩ স্থলবন্দরের মুখ খুলল বাংলাদেশ

করোনা আবহে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ০৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ০৯:৫৬

options
link
ভারতে আটকে পড়া নাগরিকদের স্বস্তি দিয়ে ৩ স্থলবন্দরের মুখ খুলল বাংলাদেশ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: করোনা আবহে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ফলে পড়শি দেশটিতে আটকে পড়েছেন বহু বাংলাদেশি নাগরিক। তাঁদের স্বস্তি দিয়ে এবার ঢাকা জানিয়েছে যে বেনাপোল ছাড়াও আরও তিনটি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে আটকে পড়া নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারবেন।

[আরও পড়ুন: ইহুদি-আরব সংঘাতে উদ্বিগ্ন বিশ্ব, প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টকে চিঠি হাসিনার]

জানা গিয়েছে, আগামী ১৬ মে থেকে কুষ্টিয়ার দর্শনা, দিনাজপুরের হিলি ও রাজশাহীর সোনামুখি দিয়ে লোকজন ভারত থেকে দেশে ফিরতে পারবেন। বুধবার পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ভারতে ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা মহামারী। তাই সংক্রমণ রুখতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত দুই সপ্তাহ বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সীমান্ত বন্ধ থাকলেও বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারি স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশের সুবিধা ছিল। তবে ইদের তিন দিনের ছুটিতে ভারত থেকে নাগরিকদের না আসার আরজি জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বেনাপোল দিয়ে ৩ হাজার ৭৭ জন এবং আখাউড়া দিয়ে প্রায় দেড়শ বাংলাদেশি নগরিক দেশে ফিরেছেন। তবে বুড়িমারি দিয়ে খুব অল্প সংখ্যক বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। যদিও এ সময় পণ্যবাহী যানবাহন আসা-যাওয়া করেছে।

Advertisement

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বেনাপোল দিয়ে প্রচুর বাংলাদেশি ফিরে আসায় আশপাশের জেলাগুলিতে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই নতুন তিনটি বন্দর দিয়ে নাগরিকরা প্রবেশ করলে ওই জেলাগুলিতে তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা সম্ভব। দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, করোনার দাপটে কাঁপছে বাংলআদেশও। লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিকাঠামো অভাবে মৃতের সংখ্যাও বৃদ্ধ পাচ্ছে। পাশাপাশি, ভ্যাকসিনের অভাব দেখা দেওয়ায় ধাক্কা খেয়েছে টিকাদান কর্মসূচীও।

[আরও পড়ুন: ‘QUAD গোষ্ঠীতে যোগ দিলে ফল ভাল হবে না’, বাংলাদেশকে হুমকি চিনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.