Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

বাংলাদেশে লিগ নেতা হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তিনজনকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১০:১৮

options
link
বাংলাদেশে লিগ নেতা হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: স্বেচ্ছাসেবক লিগ নেতা মাসুদুর রহমান শুভ্র হত্যা মামলায় সাত আসামীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। এছাড়া, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তিনজনকে। মামলায় ১৯ জন আসামীর মধ্যে বাকিদের বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

সোমবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মনির কামাল এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামীরা হল– মইলাকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিয়াদউজ্জামান রিয়াদ, গৌরীপুর পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমেদ রেজা, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোজাম্মেল হক, খাইরুল ইসলাম, মাইনউদ্দিন, রুহুল আমিন ও শরীফুল ইসলাম নাইম। যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামীরা হল– মাসুদ পারভেজ কার্জন, ছাত্রদলকর্মী শরীয়তউল্লাহ ওরফে সুমন ও যুবদলকর্মী রাসেল মিয়া।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার, সাতক্ষীরায় বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু বাংলাদেশি যুবকের]

এই মামলায় খালাস বেকসুর খালাস পেয়েছেন গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম, সৈয়দ মাজাহারুল ইসলাম জুয়েল, ছাত্রদলকর্মী রিফাত, মহম্মদ আবু হানিফা, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলকর্মী মজিবুর রহমান, কামাল মিয়া ও শাজাহান মিয়া। এর আগে ৬ অক্টোবর আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

উল্লেখ্য, গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মাসুদুর রহমান শুভ্রকে ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর গৌরীপুর পৌর শহরের পানমহালে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বিচার চেয়ে শুভ্রর ছোটভাই আবিদুর রহমান প্রান্ত বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আওয়ামি লিগ ও তার সহযোগী সংগঠন বিচারের দাবিতে টানা ২১ দিন সড়ক অবরোধ-সহ নানা কর্মসূচি পালন করে। ২০২১ সালের ৫ মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার মহম্মদ শাহ কামাল আকন্দ। প্রতিবেদনে চার্জশিটভুক্ত ১৪ জন ছাড়াও মামলার তদন্তকারী অফিসার অনুসন্ধানে আরও ৫ জনের সম্পৃক্ত পাওয়ায় ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে এ প্রতিবেদন দেন।

[আরও পড়ুন: ‘ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করলেই শাস্তি’, সম্প্রীতি রক্ষায় আরও কড়া হাসিনা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.