Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

প্রবল বৃষ্টিতে বিপন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা, বানের জলে ভাসল কয়েকশো আশ্রয় কেন্দ্র

আশঙ্কা সত্যি করে বর্ষার শুরুতেই বিপর্যয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৮

options
link
প্রবল বৃষ্টিতে বিপন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা, বানের জলে ভাসল কয়েকশো আশ্রয় কেন্দ্র zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। প্রবল ক্ষতির সম্মুখীন কক্সবাজার ও টেকনাফের শিবিরগুলি। বনের জলে ভেসে গিয়েছে কয়েক হাজার আশ্রয় কেন্দ্র। আশঙ্কা সত্যি করে বর্ষার শুরুতেই বিপর্যয় নেমে এসেছে প্রায় ৭ লক্ষ শরণার্থীর উপর।

[রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সময় লাগবে, বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে জানাল মায়ানমার]

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে খবর, পাঁচদিনের টানা বৃষ্টিতে প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত টেকনাফ ও কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলি। পানীয় জলের অভাব দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ছড়াচ্ছে নানা রোগ। এমনিতেই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে। কোনওভাবে মাথা গুঁজে রয়েছেন উদ্বাস্তুরা। পর্যাপ্ত খাবারও নেই শিবিরগুলিতে। এমন পরিস্থিতিতে বিরামহীন বৃষ্টিতে জলে-কাদায় নারকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) আধিকারিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ে ধস নেমেছে, বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে কয়েকশো উদ্বাস্তু আশ্রয় কেন্দ্র।

গত শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত উখিয়া ও টেকনাফে গড়ে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রেড ক্রস জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। জলে তলিয়ে গিয়েছে কুতুপালং ৫ ও ৬ বালুখালি ১ এবং ২ ক্যাম্পের অধিকাংশ আশ্রয় কেন্দ্র। পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে ভূমিধস হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে এক শিশু-সহ চারজনের। জখম প্রায় ৬০০ জন। আহতদের অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবমিলিয়ে শরণার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, যাঁরা পাহাড়ের উপরে বা নিচে ঘর বেঁধেছিলেন তাঁরা জখম হয়েছেন। যাঁরা পাহাড়ের নিচে ঘর বানিয়েছেন তাঁরা এখন বন্যার কবলে পড়েছেন।

বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালির ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে বর্ষার পর আশ্রয় দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

[বোধনের আগেই বিশ্বকাপ জ্বরে কাবু পাহাড় থেকে সমতল, উন্মাদনা তিলোত্তমায়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.