সুকুমার সরকার, ঢাকা: ভারত ও চিন উভয়ে বাংলাদেশের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই দুই দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আশা করছে ঢাকা। উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা খুব প্রয়োজন। তাই উত্তেজনা প্রশমন করতে হবে। গালওয়ানে চিন-ভারত অশান্তির আবহে এই বার্তা দিলেন বাংলাদেশে বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বৃহস্পতিবার এক জাতীয় দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী প্রতিবেশী দুই দেশের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: করোনার হামলায় দিনে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বাংলাদেশে, বলছে গবেষণা]
বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর কথায়, ”আমরা আশা করি, দুই দেশ আলাপ-আলোচনা করে তাদের সমস্যা সমাধান করবে। উত্তেজনা প্রশমন করতে হবে। উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা খুব প্রয়োজন।” গত সোমবার লাদাখের কাছে ভারত-চিন সীমান্তে চিনা সেনাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের সংঘর্ষ হয়। সেখানে ২০ ভারতীয় সেনা শহিদ হন। চিনের তরফে ৪৩ জন সেনার নিহত হওয়ার খবর মেলে। খবরে বলা হয়েছে, এই সংঘাতে কোনও পক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। লোহার রড, লাঠি, পাথর নিয়ে হামলা করেছে চিনা সেনা। তারপরই প্রত্যাঘাত করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই আবহে প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশকেও সবটা নজরে রাখতে হচ্ছে। বাড়ছে উদ্বেগও। তাই দিল্লি ও বেজিং – উভয়কে সতর্ক করতেই ঢাকার এই বক্তব্য বলে মনে করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: এবার ভারতীয় সংগীত পরিচালকের গান ‘চুরি’, ফের বিতর্কে নোবেল]
চিন ও ভারতের মধ্যে চলমান সংঘাতে বাংলাদেশের পাশাপাশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘও। প্রেস বিবৃতিতে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেজ দু’পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
লক্ষ্য পাহাড়ের উন্নয়ন, এবার কলকাতায় শমীকের সঙ্গে বৈঠকে গোর্খা নেতা গুরুং
-
প্রদেশ কংগ্রেসে আরও কোনঠাসা অধীর! বাতিল রবিবারের যোগদান, তৃণমূলীদের নিয়ে আপত্তি এআইসিসির
-
সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন জয়শংকর
-
সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, মিলবে অনুদান? জল্পনা
-
৫১ বছর ধরে সেই ব্যর্থতাই সঙ্গী, আর্জেন্টিনার কাছে হেরে হকি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ভারতের