২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা আতঙ্ক, চিনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের

Published by: Bishakha Pal |    Posted: February 3, 2020 11:41 am|    Updated: March 12, 2020 1:06 pm

An Images

সুকুমার সরকার, ডাকা: শ্রীলঙ্কার পর বাংলাদেশ সরকারও চিনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। এদিকে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছে ঢাকা।

গত ২১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত চিন থেকে মোট পাঁচ হাজার ৫৪৬ চিনা নাগরিক ও বাংলাদেশে এসেছেন। এঁদের মধ্যে ২০ জনের দেহে করোনা ভাইরাস থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই চিনা শ্রমিক। ওই ২০ জনকে পৃথক একটি ভবনে রাখা হয়েছে। তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা চলছে। এঁরা ২৬ জানুয়ারি চিন থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন। বিমানবন্দরে একবার শারীরিক পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশ সরকার। তাই তাঁদের আরও একবার পরীক্ষা করা হবে বলে খবর।

রবিবার বিদেশ মন্ত্রকে একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশে আসার জন্য চিনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। চিনের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।” আগামী এক মাস অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে বলে জানান তিনি। যদি কোনও চিনা নাগরিক বাংলাদেশে আসতে চান, তবে তাঁদের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের আগে চিনের নাগরিকদের ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ দেওয়া স্থগিত করে শ্রীলঙ্কা।

[ আরও পড়ুন: বিফল ট্রাম্পের চেষ্টা, ফের গাজা ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণ ইজরায়েলের ]

করোনা ভাইরাস নিয়ে ইতিমধ্যে পুরো বিশ্বে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এদিকে চিনের ইউহান থেকে শনিবার দুপুরে ফিরে আসেন ৩১২ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩০২ জনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা হজ ক্যাম্পে কোয়ারান্টাইন অবস্থায় রাখা হয়েছে। বাকি ১০ জনের মধ্যে সাতজনকে সরকারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং তিনজনকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলছে। চিনে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬১। আর এই ভাইরাসে চিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে আশঙ্কা করছে চিন সরকার। এই ভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। যদিও এই অবস্থায় সবাইকে মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের তরফে।

[ আরও পড়ুন: SARS-এর চেয়েও ভয়াবহ করোনা, চিনে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৩৬১ ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement