১৩ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২৭ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১৩ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২৭ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে রান্নার প্রধান উপকরণ পিঁয়াজ। কেননা স্বাদ আনতে পিঁয়াজ ছাড়া কোনও রান্নার কথা চিন্তাই করা যায় না! তাই এর দাম বাড়লেই হইচই পড়ে যায়। এবার মাস খানেকের বেশি সময় ধরে সেই রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।এক টুকরো পিঁয়াজের জন্য মারামারিতেও জড়িয়ে পড়ছেন মানুষ। আর তাই ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের আধিকারিক রিনি রাজীউন তিসা চিন থেকে বাবার জন্য উপহার এনেছেন মর্হাঘ্য এই বস্তুটি।

[আরও পড়ুন: নুসরত হত্যা মামলায় বাংলাদেশের পুলিশ আধিকারিকের ৮ বছরের জেলের সাজা]

গত ১৪ নভেম্বর তিসা চিনে ঘুরতে গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার আগে মোবাইলে বাবাকে ফোন করে জানতে চান, ‘বাবা এবার তোমাদের জন্য কী আনব? বাবার উত্তর ছিল, ‘যদি প্রয়োজনীয় কিছু আনতে চাও, তাহলে কয়েক কেজি পিঁয়াজ নিয়ে এসো। ঢাকার সেগুনবাগিচা এলাকায় পিঁয়াজের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।’ এরপরই তিসা অন্য কোনও উপহার না কিনে ৩৮ টাকা দরে ১১ কেজি পেঁয়াজ কেনেন বাবা-মার জন্য। দেশে আসার পর বিমানবন্দরে থাকা কাস্টমসের লোকেরা সেই পেঁয়াজ দেখে একটু মুচকি হেসেছিলেন।

এপ্রসঙ্গে তিসা বলেন, ‘চিনের একটা মুদিখানা দোকান থেকে পিঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেখি তার কাছে ১১ কেজিই আছে। ওই দোকানিও অবাক হয়ে দেখল আমার পিঁয়াজ কেনা। ১১ কেজি হওয়ার পর একটা পিঁয়াজ বেশি ছিল, সেটাও গিফট হিসেবে দিয়ে দিয়েছে। ওই দোকানির হাসি দেখে মনে হয়েছে এর আগে কোনও বিদেশি ঘুরতে গিয়ে তাঁর কাছ থেকে এত পেঁয়াজ কেনেনি। তবে বাড়িতে আসার পর পিঁয়াজ দেখে সবাই খুব খুশি। বাবা-মার ইচ্ছেতে আত্মীস্বজনদের কিছু পিঁয়াজ উপহার হিসেবে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও অনেকবার বাবা-মাকে উপহার দিয়েছি। কিন্তু, এবার পিঁয়াজ পেয়ে তারা যতটা খুশি হয়েছেন এতটা খুশি হতে দেখিনি কখনও।’

[আরও পড়ুন: কচুরির সঙ্গে পিঁয়াজ না দেওয়ায় হাতাহাতি, পরিস্থিতি সামলাতে এল পুলিশ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং