Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা নৌযান পরিষেবা

ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ছাড়বে এমভি মধুমতী জাহাজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৯, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৯, ২০:৩০

options
link
চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা নৌযান পরিষেবা zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: এবার দুই বাংলার মানুষের ভ্রমণ আরও বৈচিত্রময় ও আনন্দদায়ক করতে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে নৌযান পরিষেবা। নৌযান ভ্রমণে যাত্রীরা ভোরের দিকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের দুর্লভ সুযোগ পাবেন যা অন্য কোনও যাত্রায় মিলবে না। বিমান, রেল ও বাসের পর এবার ঢাকা-কলকাতা যাত্রীদের জন্য চালু হচ্ছে এই নৌযান পরিষেবা। আগামী ২৯ মার্চ ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এমভি মধুমতী জাহাজ। বুধবার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এতথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ-ভারত নৌপ্রটোকল চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিসির নিজস্ব অত্যাধুনিক নৌযান দ্বারা সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-কলকাতা যাত্রীবাহী সার্ভিস চালু করছে। আগামী ২৯ মার্চ বিআইডব্লিউটিসির এমভি মধুমতি জাহাজটি ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জের পাগলা মেরিএন্ডার হতে বরিশাল-মোংলা-সুন্দরবন-আন্টিহারা-হলদিয়া রুট হয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। ভাড়ার তালিকা দেওয়া হয়েছে- ঢাকা-কলকাতা কেবিন ভাড়ার ফ্যামিলি স্যুট (দুজন) ১৫ হাজার টাকা, প্রথম শ্রেণি (যাত্রীপ্রতি) ৫ হাজার, ডিলাক্স শ্রেণি (দুজন) ১০ হাজার টাকা, ইকোনমি চেয়ার (যাত্রীপ্রতি) ৮ হাজার টাকা এবং সুলভ শ্রেণি/ডেক (যাত্রীপ্রতি) ১৫০০ টাকা।

Advertisement

[রোহিঙ্গা শিবিরে দুষ্কৃতীদের হামলা, নিহত এক শরণার্থী]

গত বছর ঢাকা-কলকাতা যাত্রীবাহী জাহাজ পরিবহনের বিষয়ে সম্মত হয় ভারত ও বাংলাদেশ। এই চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের নৌপরিবহণ সচিব আবদুস সামাদ ও ভারতের জাহাজমন্ত্রকের সচিব গোপাল কৃষ্ণ। নৌযান চালুর ফলে ভারতের গঙ্গা এবং বাংলাদেশের যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র এই তিন নদী সংযুক্ত হবে। আন্তঃদেশীয় প্রটোকল রুট (ইনল্যান্ড প্রটোকল রুট) ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচলের রুটের আওতায় এই পরিবহন চলবে। চুক্তির দিন গোপাল কৃষ্ণ ভারতীয় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দুই দেশ স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরের (এসওপি) মাধ্যমে সম্মত হয়েছে যে, আন্তঃদেশীয় প্রটোকল রুট (ইনল্যান্ড প্রটোকল রুট) ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচলের রুটের আওতায় যাত্রী পরিবহনের জাহাজ চলবে। ভারতের ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটির (আইডব্লিউএআই) চেয়ারম্যান জানান, ইন্দো-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট হয়ে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রকে সংযুক্ত করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.