Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Dhaka

৭ ঘণ্টা পর ঢাকার বিমানবন্দরে চালু পরিষেবা, অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে গঠিত কমিটি

শনিবার দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে বিধ্বংসী আগুন লাগে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ০৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ০৯:১৬

options
link
৭ ঘণ্টা পর ঢাকার বিমানবন্দরে চালু পরিষেবা, অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে গঠিত কমিটি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের জেরে সাত ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উড়ান পরিষেবা বন্ধ রইল ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। অবশেষে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসায় শনিবার রাত ৯টার পর থেকে বিমান ওঠানামা চালু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। আগুন নেভানোর কাজ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন কর্মী। কীভাবে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে এত বড় আগুন লাগল, তার তদন্ত করতে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। পাঁচদিনের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে রিপোর্ট দিতে হবে।

শনিবার দুপুর ২টোর পর বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে। জানা গিয়েছে, আমদানি করা পণ্য যেখানে রাখা হয়, সেখানেই আগুন ধরে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে উড়ান পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। দমকলের অন্তত ৩৭টি ইঞ্জিন, সেনাবাহিনীর অক্লান্ত চেষ্টায় ৬ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বাংলাদেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন জানিয়েছিলেন, রাতের মধ্যে ফের বিমান ওঠানামা চালুর চেষ্টা করছেন তাঁরা। সেইমতো রাত ৯টার পর ফ্লাই দুবাই এয়ারলাইন্সের একটি বিমান অবতরণ করানো হয় শাহজালাল বিমানবন্দরে। তারপর থেকে স্বাভাবিক পরিষেবা শুরু হয়েছে।

Advertisement

এদিকে কীভাবে এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল, তা এখনও অজানা। প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া অসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)। জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়ী কারা – এসব খুঁজে বের করবে কমিটি। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরির দায়িত্বও তদন্ত কমিটির। আগামী পাঁচদিনের সিইওর কাছে তদন্ত কমিটি নিজেদের রিপোর্ট পেশ করবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.