Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ধাক্কা খেল মায়ানমার, রোহিঙ্গা নিধনে তদন্ত শুরু আন্তর্জাতিক আদালতের   

আন্তর্জাতিক মহলে কার্যত একঘরে নাইপিদাও৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৬:৫২

options
link
ধাক্কা খেল মায়ানমার, রোহিঙ্গা নিধনে তদন্ত শুরু আন্তর্জাতিক আদালতের    zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: শরণার্থী ইস্যুতে ফের বড়সড় ধাক্কা খেল মায়ানমার৷ এবার রোহিঙ্গা নির্যাতনে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করল ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট’ (আইসিসি)৷ কয়েকদিন আগেই রোহিঙ্গা বিতারণ নিয়ে আইসিসিতে সু কি সরকারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়৷ তারই প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেয় আদালত৷ 

[সাংবাদিকদের সাজার সমর্থনে সু কি, বিশ্বমঞ্চে কাঠগড়ায় মায়ানমার]

Advertisement

গত এপ্রিলে রোহিঙ্গা বিতরণ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে আবেদন করেন ফাতোও বেনসুদা নামের এক আইনজীবী। তিনি জানতে চান, রোহিঙ্গা বিতরণের বিষয়টি এইসিসি-র বিচারের এখতিয়ারে পড়ে কি না। তারপরই মায়ানমারের জবাব জানতে চায় এইসিসি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ মানতে নারাজ মায়ানমার৷ সু কি সরকার সাফ জানিয়ে দেয়, আইসিসি-র সদস্য নয় মায়ানমার তাই রোহিঙ্গা বিতারণের বিষয়টি এইসিসি-র বিচারের আওতায় পড়ে না। শুনানিতে নাইপিদাওয়ের এই যুক্তি খারিজ করে দেয় আদালত৷ বিচারপতি সাফ জানিয়েদেন, ঘটনার বিস্তর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে৷ এবং দেশটি আইসিসি-র সদস্য, তাই এনিয়ে তদন্ত করার অধিকার রয়েছে আদালতের৷ 

আদালতের এই সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে কার্যত একঘরে মায়ানমার৷ গত বছর জঙ্গিদমন অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের উপর নৃশংস হামলা চালায় বার্মিজ সেনা। ফলে রাখাইন প্রদেশ থকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গারা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মৌখিক সমর্থন জানালেও এগিয়ে আসেনি কোনও দেশ। বিশ্ব মানচিত্রে ব্রাত্য ওই শরণার্থীদের জায়গা দেয় শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। কয়েক দশক থেকেই বাংলাদেশে ঘটছে শরণার্থী সমাগম। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা। এতে প্রবল চাপে পড়েছে উন্নয়নশীল দেশটির অর্থনীতি। এহেন পরিস্থিতিতে ঢাকার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত-সহ একাধিক দেশ। আর্থিক সাহায্য প্রধান করেছে বিশ্বব্যাংকও। তবে শীঘ্রই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।        

[ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চালু হবে ‘ইন্দো-বাংলা মৈত্রী পাইপলাইন’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.