Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

চলতি মাসেই স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত ও বাংলাদেশ

চিনা প্রভাব খর্ব করতেই কি এই পদক্ষেপ নয়াদিল্লির?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ১২:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ১২:৪৮

options
link
চলতি মাসেই স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত ও বাংলাদেশ zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: চলতি মাসেই স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত ও বাংলাদেশ (Bangladesh)। করোনা মহামারীর আবহে দুই বন্ধু দেশের মধ্যে এই বৈঠক যথেষ্ট ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

[আরও পড়ুন: ব্যতিক্রমী ভাষাদিবস বাংলাদেশে, সশরীরে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন না প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি]

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে আলোচনায় বসবেন দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিবরা। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামালউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেবেন।” তিনি আরও বলেন, “করোনা মহামারীর কারণে এর আগে দুই দেশের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক স্থগিত করা হয়েছিল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এখন ভারতের প্রতিনিধি দল আসছে।” বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে অংশ নেবেন কারা, সে কথা জানতে চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে  চিঠি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ভারতের (India) পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা। গত ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশ-ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হওয়ায় তখন ভারতের প্রতিনিধি দল আসেনি। এই কারণে ওই বৈঠক স্থগিত করা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, করোনা ভ্যাকসিনের টিকা উপহার দিয়ে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করেছে নয়াদিল্লি। এর প্রধান কারণ অবশ্য, বন্ধু দেশের পাশে দাঁড়ানো। তাছাড়া, হাসিনা প্রশাসনের উপর চিনের প্রভাব খর্ব করাও অন্যতম উদ্দেশ্য নয়াদিল্লির। প্রসঙ্গত, আগামী মার্চ মাসে ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

[আরও পড়ুন: তিন স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ বাংলাদেশে, এক বছর পর অভিযুক্ত ১০ জনের বিরুদ্ধে পেশ চার্জশিট]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.