Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh

রাষ্ট্রপতি শাহবুদ্দিনের অপসারণ চেয়ে সরব শফিকুর, বাংলাদেশকে অশান্ত করার ছক জামাতের!

২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন শাহবুদ্দিন। তিনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকারের নিযুক্ত সদস্য হওয়ার কারণেই জামাত তাঁকে বারবারই আক্রমণ করেছে। বিশেষ করে হাসিনার পতনের পর তাঁর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। যদিও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহালই ছিলেন। বাংলাদেশে নতুন সরকার আসতেও সেই ছবির বদল হল না।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ২২:৩২

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ২২:৩২

options
link
রাষ্ট্রপতি শাহবুদ্দিনের অপসারণ চেয়ে সরব শফিকুর, বাংলাদেশকে অশান্ত করার ছক জামাতের! zoom
(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিন এবং জামাত প্রধান শফিকুর রহমান (ডান দিকে)। ফাইল ছবি।

বাংলাদেশের (Bangladesh) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনের অপসারণ চেয়ে ফের সরব জামাত প্রধান শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদ নয়। ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। শাহবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বাংলাদেশকে ফের অশান্ত করার ছক করছে জামাত। সেই কারণেই এহেন উসকানিমূলক মন্তব্য করছে তারা।

রবিবার সিলেট সা‌র্কিট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন জামাত প্রধান শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান বা পদকে আলাদাভাবে দেখতে হবে। রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে আমাদের নেতিবাচক কোনও অবস্থান নেই। তবে ব্যক্তি হিসাবে শাহবুদ্দিনে আমাদের আপত্তি রয়েছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি এবিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবেন। জামাতের পাশাপাশি ছাত্রদল এনসিপিও শাহবুদ্দিনের অপসারণ চেয়েছে।

Advertisement

শফিকুর আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদ বিদায় নেয়নি। বরং ফ্যাসিবাদের একটি বড় স্টেকহোল্ডার বিদায় নিয়েছে। ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া এখনো দেশের মাথার ওপর রয়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও দেশ এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সমাজের সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, প্রতিহিংসা ও সংকীর্ণতা রয়ে গিয়েছে। রাজনীতিবিদদের কথার সঙ্গে তাঁদের কাজের সামঞ্জস্য না থাকায়  মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।”

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে শফিকুর বলেন, “বিরোধী দলের দুটি প্ল্যাটফর্ম— একটি সংসদের ভিতরে, অন্যটি রাজপথে। সংসদের ভেতরে যেমন গঠনমূলক রাজনীতি হবে, তেমনি প্রয়োজনে রাজপথেও গঠনমূলক কর্মসূচি করা হবে।” আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামাত প্রধান বলেন, “বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে গুলি, হত্যা এবং হিংসার ঘটনা দুঃখজনক। মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মান রক্ষার প্রশ্নে নীরব থাকব না।’ 

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন শাহবুদ্দিন। তিনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকারের নিযুক্ত সদস্য হওয়ার কারণেই জামাত তাঁকে বারবারই আক্রমণ করেছে। বিশেষ করে হাসিনার পতনের পর তাঁর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। যদিও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহালই ছিলেন। বাংলাদেশে নতুন সরকার আসতেও সেই ছবির বদল হল না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.