Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

শিশু-সহ পরিবারের ৫ জনের গলা কেটে ‘জবাই’! বাংলাদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড, পলাতক গৃহকর্তা

রাতে ফোন করে শ্যালককে ডেকেছিলেন গৃহকর্তা, তারপরই খুনের ঘটনা ঘটল ঢাকার অদূরে গাজিপুরে।

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৪:৩৯

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৪:৩৯

options
link
শিশু-সহ পরিবারের ৫ জনের গলা কেটে ‘জবাই’! বাংলাদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড, পলাতক গৃহকর্তা zoom
শিশু-সহ ৫ জনকে গলা কেটে 'খুন', বাংলাদেশের ঘটনায় পলাতক গৃহকর্তা
Advertisement

প্রতিদিনই দেশের নানা প্রান্ত থেকে খুনখারাপি থেকে ধর্ষণ কাণ্ডের খবর মিলছে। প্রায় খবরে উঠে আসছে পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। এবার ঢাকার অদূরে গাজিপুরে শুক্রবার গভীর রাতে একই পরিবারে শিশু-সহ ৫ সদস্যকে কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এমন হাড়হিম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে গৃহকর্তা ফোরকান মিঞা পলাতক। ঘটনাটি ঘটেছে গাজিপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে, মনির হোসেনের বাড়িতে।

কাপাসিয়া-কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শনিবার উপজেলার রাউতকোনা (পূর্ব পাড়া) গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। নিহতরা বাড়ির গৃহকর্তা ফোরকান মিঞার স্ত্রী শারমিন, শ্যালক রসুল, তিন মেয়ে মিম, হাবিবা ও ফারিয়া। এর মধ্যে ফারিয়ার বয়স মাত্র ২, হাবিবা ১০ বছরের। বাড়ির এতজন সদস্য খুন হওয়ার ঘটনার পর থেকে ফোরকান পলাতক। কেউ তার সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে পুলিশের কাছে বয়ান দিয়েছেন।

Advertisement

নিহত শারমিনের ভাগ্নে সাকিব জানান, শ্যালক রসুলকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফোন করে ডেকেছিলেন ফোরকান। তার বাড়িতেই রাতে থাকার কথা হয় রসুলের। সাকিবের অভিযোগ, রাতের খাওয়াদাওয়া সেরে বাড়ির সকলে ঘুমিয়ে পড়লে স্ত্রী, শ্যালক এবং তিন মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করে ফোরকানই। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত গৃহকর্তা ফোরকান পেশায় প্রাইভেট গাড়ির চালক। তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে রাউতকোনা গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের মেঝেতে রসুল, শারমিন এবং শারমিনের তিন মেয়ের মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। সকালে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। একই পরিবারের পাঁচ জনের নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ফোরকান মিঞাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।” কিন্তু কী কারণে তাঁর এত নৃশংসতা? সে বিষয়ে এখনও কোনও ইঙ্গিত পাননি তদন্তকারীরা। আপাতত ফোরকানকে খুঁজে বের করে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.