Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

মায়ানমারে তুমুল লড়াই, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢলে বিপাকে বাংলাদেশ

শুক্রবার মায়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে ৮৯ জন নিহত হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৩:৪৭

options
link
মায়ানমারে তুমুল লড়াই, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢলে বিপাকে বাংলাদেশ zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ক্রমশই গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মায়ানমার। সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গা জঙ্গিদের লড়াইয়ে ভিটেমাটি হারানো হাজার হাজার শরণার্থীদের ঢল নেমেছে বাংলাদেশে। ফলে প্রবল চাপে পড়েছে ঢাকা।

[রোহিঙ্গা মুসলিমদের চিহ্নিত করে বিতাড়িত করা হবে, জানাল কেন্দ্র]

Advertisement

সূত্রের খবর, মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে তুমুল লড়াই চলছে রোহিঙ্গা জঙ্গি ও সে দেশের সেনাবাহিনীর। ফলে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে শরণার্থীরা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে বেশ কয়েকবার টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। তবে সতর্ক থেকে সে চেষ্টা বিফল করে দেয় বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ‘বিজিবি’। টেকনাফ সীমান্তের বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম জানান, রোহিঙ্গারা বেশ কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে নৌকায় করে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের প্রতিহত করা হয়। কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের শুক্রবার বিকেলে শ’দুয়েক রোহিঙ্গারা প্রবেশের চেষ্টা করে। বিজিবি সেখান থেকেই তাদের ফেরত পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।

[মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন চলছে, কার্যত স্বীকার রাষ্ট্রসংঘের]

বৌদ্ধপ্রধান দেশ মায়ানমারে রয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিম ধর্মাবলম্বী রোহিঙ্গা মানুষ। তবে আজও তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি নেইপিদাও। মিলিটারি জুন্টার হাত থেকে দেশের আংশিক ক্ষমতা আং সু কি-র হাতে গেলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সু সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশকারী। তাদের জঙ্গি আন্দোলন মেনে নেওয়া হবে না। শুক্রবার মায়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে ৮৯ জন নিহত হয়। ‘দ্য আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি’ নামের জঙ্গি সংগঠনটি (এআরএসএ) এই হামলার দায় স্বীকার করে আরও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। ইতিমধ্যে এই পরিস্থিতি নিয়ে বিজিবি ও মায়ানমার সেনার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিজিবি-র প্রধান মেজর জেনারেল আবুল হোসেন জানান, মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী কয়েকটি সংগঠন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ৭০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এছাড়া কয়েকদশক থেকে ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে রয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.