Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Corona

বাংলাদেশে করোনা আতঙ্ক, ঢাকায় চিনা নাগরিকের দেহে মিলল ওমিক্রন বিএফ-৭

অযথা আতঙ্কিত হওয়াক কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৩, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৩, ১৩:১৮

options
link
বাংলাদেশে করোনা আতঙ্ক, ঢাকায় চিনা নাগরিকের দেহে মিলল ওমিক্রন বিএফ-৭ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে করোনা আতঙ্ক! এবার সদ্য চিন থেকে ঢাকা ফেরত আসা এক চিনা নাগরিকের শরীরে মিলল ওমিক্রন বিএফ-৭। তবে সংক্রমিত ব্যক্তি সুস্থ আছেন। তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে সরকার।

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি চিন থেকে দেশটির চারজন নাগরিক রাজধানী ঢাকায় এসেছেন। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের কোভিড টেস্ট করা হয়। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁদের সকলকে আইসোলেশনে রাখা হয়। এরপর একজনের দেহে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিএফ-৭ শনাক্ত হয়। ঢাকার পরীক্ষায় তাঁর করোনা ধরা পড়ে। চিনা তাঁদের মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) করোনা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চাপের মুখে বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের শতবর্ষের বাড়ি সংরক্ষণের উদ্যোগ হাসিনা প্রশাসনের]

সম্প্রতি চিনে আবার ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে আবার চিন-সহ কয়েকটি দেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে। আমেরিকা-সহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে চিনা নাগরিকদের জন্য করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে।

রবিবার এই সমস্ত তথ্য জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ড. তাহমিনা শিরীন। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এই রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেছেন, “নতুন উপধরণ নিয়ে আমরা ভীত নই। আমরা চাই না কেউ করোনা সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে যান। কারণ, আমাদের সংক্রমণের হার বর্তমানে ১ শতাংশেরও কম। তবে নতুন উপধরনকে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি, সংক্রমণের হার যেন কোনওভাবেই বাড়তে না পারে, আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এদিকে খবর খবর পাওয়া গিয়েছে, চিনের ঝেজিয়াং প্রদেশেই একদিনে ১০ লক্ষ ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সংক্রমণের আশঙ্কায় চিন (China) ফেরত যাত্রীদের নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে বহু দেশ। কোভিড নিগেটিভ রিপোর্ট চাইছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেন-সহ বহু দেশ। এই প্রসঙ্গে হু-প্রধান বলেন, “নিষেধাজ্ঞা জারি করাই স্বাভাবিক। চিন থেকে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। বিশ্বের একাধিক দেশ যে পদক্ষেপ করছে, তা নিজেদের জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষিত রাখতেই করছে। এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়।”

[আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী আর্থিক মদতের এক-চতুর্থাংশ বাংলাদেশকে দেয় ভারত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.