১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: পেঁয়াজের ঝাঁজে পদ্মাপারের বাসিন্দাদের চোখে জল। কারণ, বাংলাদেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে দাম। বর্তমানে খুচরো বাজারে কেজি প্রতি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। দেশে পেঁয়াজের জোগান ঠিক আছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে বাজারে আরও নতুন পেঁয়াজ আসার কথা বলেছে তারা। তবে এই সুখবরের পরও দিন দিন বাড়ছে পিঁয়াজের ঝাঁজ।

ঢাকার বসুন্ধরা, নতুনবাজার ও বাড্ডা বাজারে খুচরো বাজারের অধিকাংশ দোকানেই পেঁয়াজের দেখা মিলছে তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ১৫০-১৫৫ টাকা, মিশরীয় পেঁয়াজ ১৩০ টাকা, মায়ানমারের পেঁয়াজ ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ দু’দিন আগেও দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে ১৩৫-১৪০ টাকায়। ওই সময় মিশরীয় পেঁয়াজ ১২০ টাকা আর মায়ানমার পেঁয়াজ ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বসুন্ধরা কাঁচা বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক বলেন, “গত মঙ্গলবার পাইকারি বাজার থেকে কেজি প্রতি দেশি পেঁয়াজ কিনেছি ১২৫ টাকায়, যা গতকাল ছিল ১৪০ টাকা। এছাড়া মিশরীয় পেঁয়াজ কিনেছিলাম ১১০ টাকায়, অন্যদিকে মায়ানমার পেঁয়াজ ১১৫ টাকায়। কিন্তু পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় এই পেঁয়াজও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সেজন্য নিরুপায় হয়ে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।” ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, “পাইকারি বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তাই খুচরো ব্যবসায়ীদের বেশি দামে তা কিনতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে লাভ রাখার জন্য আমরা তুলনামূলক বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছি।” ক্রেতারা যদিও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শুনতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের কাছে এ এক নতুন অজুহাত। আদতে এতো বেশি দামে পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে না তাঁদের। সরকারের তরফে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের সেভাবে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ক্রেতাদের। এভাবে দাম বাড়তে থাকায় অনেকের হেঁশেলেই আর পেঁয়াজ ঢুকছে না বলেও দাবি বহু গৃহস্থের।

[আরও পড়ুন: মহিলার সঙ্গে যৌনতায় মত্ত বিজেপি নেতা, ভিডিও ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য]

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩ দশমিক ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন। আর আমদানি করা হয়েছে ১০ দশমিক ৯২ লক্ষ মেট্রিক টন। ফলে মোট সরবারহের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ২২ লক্ষ মেট্রিক টন। অন্যদিকে, দেশে বাৎসরিক পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে ২৪ লক্ষ মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি থাকার কথা নয়। বরং উদ্বৃত্ত থাকার কথা। তবুও বাজারে লাগামহীনভাবে পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলেছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং