Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

ডিম ১৫, ডাব ২০০! ‘লঙ্কাকাণ্ডে’র পরেও জ্বলছে বাংলাদেশের বাজার

মূল্যবৃদ্ধির মারে নাজেহাল আমজনতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৩, ১১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৩, ১১:০৮

options
link
ডিম ১৫, ডাব ২০০! ‘লঙ্কাকাণ্ডে’র পরেও জ্বলছে বাংলাদেশের বাজার zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ডিম ১৫, ডাব ২০০! ‘লঙ্কাকাণ্ডে’র পরেও জ্বলছে বাংলাদেশের বাজার। মূল্যবৃদ্ধির মারে নাজেহাল আমজনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সচেষ্ট হলেও সেই অর্থে এখনও কোনও সুফল মেলেনি।

কয়েকদিন আগেই লঙ্কার দামে চোখে জল চলে এসেছিল সাধারণের। বাংলাদেশে প্রতি কেজি লঙ্কা বিক্রি হয়েছে হাজার থেকে বারোশো টাকায়। তবে লঙ্কার ঝাঁজ কিছুটা কমলে এবার বাজার কাঁপাচ্ছে ডিম ও ডাব। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা প্রতি পিস দরে। এক হালি (৪টি) বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহেও ডিম বিক্রি হয়েছে ১১ থেকে ১২ টাকায়। এছাড়া, দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা ডজন দরে। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। সোনালি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে। আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। শুধু তাই নয়, পেঁয়াজ-রসুনের দামও বেড়েছে। গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ছিল ৬৫ টাকা কেজি। এখন ৮০ টাকা কেজি।

Advertisement

এদিকে, এক লাফে ডবল সেঞ্চুর হাঁকিয়েছে রোগীদের ভরসার পথ্য ডাব। রাজধানী ঢাকায় বড় সাইজের ডাব বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা করে। এছাড়া ছোট সাইজের ডাব ১৫০ টাকার কমে মিলছে না। বিক্রেতাদের দাবি, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতির জন্য রোগীর অন্যতম পথ্য ডাবের চাহিদা বেড়েছে। আর এতে ডাবের বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে শুরু নির্বাচনী তোড়জোড়, ‘পাশে থাকবে ভারত’, বিশ্বাস আওয়ামি লিগের]

ঢাকার অভিজাত কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ী ছায়েদুর ইসলাম জানান, ভারতের রসুনের দাম বাড়ায় তিন চারদিন ধরে আমদানি বন্ধ রয়েছে। ফলে রসুনের দাম বাড়ছে। দেশি ভাল মানের রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। আর মাঝারি মানের রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। ছোট কোয়া রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে।

জানা গিয়েছে, বাজারে প্রতি কেজি আলু ৪০ টাকা, ঝিঙে ৬০, ঢেঁড়স ৪০, পেঁপে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কুমড়ো বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায় (কাটা পিস), ফুলকপি ৫০, মূলো ৫, চাল কুমড়ো প্রতি পিস ৫০ টাকা, শিম ২০০ টাকা কেজি, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা থেকে কমে ৬০ টাকা, ধনেপাতা ১৬০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ৬০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। বড় চিংড়ির কেজি ৮০০ টাকা। ছোট চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজিতে। ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাঝারি মানের পাবদা। রুইয়ের কেজি ৩৫০ টাকা, টেংরা ৫০০ টাকা। খাসির মাংস ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: রোগ অজ্ঞাত, বাড়ছে উপসর্গ! ঢাকার হাসপাতালে ভরতি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.