Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Rifat murder case

রিফাত শরিফ হত্যা মামলায় বাংলাদেশে স্ত্রী-সহ ৬ জনের প্রাণদণ্ড

বাকি চার অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০, ১৮:২৩

options
link
রিফাত শরিফ হত্যা মামলায় বাংলাদেশে স্ত্রী-সহ ৬ জনের প্রাণদণ্ড zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের বরগুনার আলোচিত রিফাত শরিফ (Rifat Sharif) হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি-সহ ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এই মামলায় অভিযুক্ত বাকি চার আসামিকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মহম্মদ আছাদুজ্জামান এই রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি (Ayesha Siddiqua Minni) ছাড়াও মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত বাকি পাঁচ আসামি হল রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি (২৩), আল কাইউম ওরফে রাব্বি আঁকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম ওরফে সিফাত (১৯), রেজওয়ান আলি খান ওরফে টিকটক হৃদয় (২২) ও মহম্মদ হাসান (১৯)। মুক্তি পেয়েছে রাফিউল ইসলাম, মহম্মদ সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন ও মহম্মদ মুসা। বাকিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারলেও মুসা পলাতক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নজরে সেই তিস্তা চুক্তিই, ভারত-বাংলাদেশের জেসিসি বৈঠকে উঠল জলবন্টন প্রসঙ্গ ]

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রিফাত শরিফ হত্যা মামলার শুনানি শেষ হয়। ওইদিনই বরগুনা (Barguna)’র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মহম্মদ আছাদুজ্জামান মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য করেন। এর জেরে বুধবার সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। আজ সকাল ৭টার সময় জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (DB) সদস্যদের নিরাপত্তার ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে আদালত ভবনে আসেন মামলার বিচারক মহম্মদ আছাদুজ্জামান। বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের তল্লাশি করে আদালত ভবনের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এই রায়ের পর যাতে কোনও অশান্তি না হয় তার জন্য মঙ্গলবার রাত থেকেই বরগুনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বসানো হয়েছিল পুলিশের নিরাপত্তা চৌকি। টহলদারি চালাচ্ছিলেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরাও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা শহরে রাস্তায় উপর ফেলে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছিল রিফাত শরিফকে। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি থাকাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।

[আরও পড়ুন: ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বাংলাদেশে প্রকাশিত হবে রাজাকারদের ‘আংশিক’ তালিকা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.