সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ-মায়ানমার চুক্তি হয়েছে বটে কিন্তু খোদ রাষ্ট্রসংঘের হিসেব অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলিতে অন্তত ২০ হাজার রোহিঙ্গা বৃদ্ধি পেয়েছে। নভেম্বরের শেষ দিকে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা থাকলেও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তা ৬ লক্ষ ৪৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজাররিক কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) বরাতে বলেছেন, মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা আগের থেকে অনেকখানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি সংস্থার প্রধান কার্যালয় নিউইয়র্কে শুক্রবার এ তথ্য তুলে ধরেন।
[রোহিঙ্গা ইস্যুতে গোটা বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান পোপের]
রাষ্ট্রসংঘ বর্তমানে ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার বললেও রাখাইন রাজ্যে অব্যাহত অত্যাচারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৭ লক্ষেরও বেশি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কারণ, বেসরকারি হিসেবে সংখ্যাটা এক লক্ষ বেশি। এছাড়া আগে থেকেই ৪ লক্ষের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারে থাকেন। এতে মোট সংখ্যাটা ১১ লক্ষ ছাড়িয়েছে। ঘটনার শুরু গত ২৪ আগস্ট রাতে রাতে রাখাইন রাজ্যে পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী হামলা ঘটে। এর জেরে ‘অভিযানের’ নামে মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যালীলা চালাতে থাকে। ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য চলে আসেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালাচ্ছে সে দেশের সেনাবাহিনী। হিংস্রতার শিকার হয়ে গত বছরের অক্টোবরেও প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।
[রোহিঙ্গাদের ফেরাতে ঢাকাকে সহযোগিতার আশ্বাস নয়াদিল্লির]
সর্বশেষ খবর
-
অধিকৃত কাশ্মীরকে ‘নরক’ বানিয়েছে পাকিস্তান, রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি ব্রিটেনের সাংসদদের
-
‘ওরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানেই না’, বন্দে মাতরম বিতর্কে ফুঁসে উঠলেন রামদেব
-
হোটেলের ছাদে বৃষ্টির জল সংরক্ষণে জোর, দিঘার হোটেলে পর্যটকদের সুরক্ষায় পরিকল্পনা প্রশাসনের
-
লজ্জার হারেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ, টপকাতে পারবেন শুভমানরা?
-
রংপুরে হিন্দু পরিবার হত্যার কিনারা, নেশায় বাধা পেয়ে খুন! খেজুর-শসা খায় আততায়ীরা