Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য মরিয়া রোহিঙ্গারা

তিন মাস পেরিয়ে গেলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি প্রত্যাবাসন চুক্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৯, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৯, ১৪:১২

options
link
বাংলাদেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য মরিয়া রোহিঙ্গারা zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঝুলে রয়েছে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসন। বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পাদনের সাড়ে তিন মাস পেরিয়ে গেলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে আশা-নিরাশার দোলাচলে পড়ে অনেকেই হতাশায় ভুগছে। রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ স্বদেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেও বড় একটিং অংশ বাংলাদেশে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ খুঁজছে। প্রতিনিয়ত ক্যাম্প ত্যাগ করে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়ক পথে শহরের দিকে পা বাড়াচ্ছে তাঁরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঝে মাঝে কিছু রোহিঙ্গা উদ্ধার করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠালেও বেশির ভাগ রোহিঙ্গা তাঁদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যাচ্ছে।

[৮ হাজারের মধ্যে মাত্র ৩৭৪ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মায়ানমার]

অভিযোগ রয়েছে, প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পাদনের পরেও মায়ানমার সরকার সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ, ফাঁকা গুলিবর্ষণ, তুমব্রু শূন্যরেখার আশ্রিত রোহিঙ্গাদের উপর হামলার চেষ্টা করছে। এছাড়াও মাইকিং করে তাঁদের স্থান ত্যাগ করার হুমকি প্রদর্শন করছে। কুতুপালং বস্তির ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি আবু সিদ্দিক জানান, প্রত্যাবাসন বিলম্বের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিরাজমান পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের অনেকেই স্বদেশে ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছে। তাঁরা মনে করছে মায়ানমারে ফিরে যাওয়ার চাইতে এ দেশের আনাচে-কানাচে কোথাও অবস্থান নিয়ে কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করাটা ভাল হবে। এভাবে গত ছয় মাসে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা ক্যাম্প ত্যাগ করেছে। বস্তি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সেক্রেটারি নূর জানান, বস্তির পুরনো রোহিঙ্গা ছাড়া নতুন রোহিঙ্গাদের অনেকেই বস্তির বাইরে বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে রয়েছেন। আর কিছু কিছু রোহিঙ্গা তাঁদের স্বজনদের কাছে চলে গিয়েছেন। এভাবে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের জানান, পুলিশ কুতুপালং, উখিয়া সদর, মরিচ্যা চেকপোস্ট-সহ ভ্রাম্যমাণ তল্লাশি অভিযান চালিয়ে গত ছয় মাসে অর্ধ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্প ফেরত পাঠিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[হামলাকারী ফয়জুলকে ক্ষমা করে দিলেন জাফর ইকবাল]

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পালংখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুরউদ্দিন চৌধুরি জানান, ক্যাম্পে যে সমস্ত রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন তাঁদের প্রত্যাবাসন না হওয়ায় তাঁরা এখানে স্থায়ী বসবাসের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যার ফলে বিভিন্ন গ্রামীণ ও আঞ্চলিক সড়ক পথে পায়ে হেঁটে রোহিঙ্গারা বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, টেকনাফ থেকে সোনারপাড়া ঝাউবাগান এলাকায় তল্লাশি চালালে এখনো লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। এখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাঁদের অনুসরণ করে রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, রোহিঙ্গাদের মায়ানমারের ফেরত পাঠানোর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সরকার কাজ করছে। তবে কখন, কিভাবে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে তা এখন সঠিক করে বলা যাচ্ছে না।

[আওয়ামি লিগ নেতা হত্যায় ৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.