Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh

আবু সাইদ হত্যায় ২ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড, গণঅভ্যুত্থানে বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেন ছাত্রনেতা 

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই সাজা ঘোষণা করে। তাঁরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পুলিশের প্রাক্তন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজনচন্দ্র রায়কে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৯:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
আবু সাইদ হত্যায় ২ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড, গণঅভ্যুত্থানে বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেন ছাত্রনেতা  zoom

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ। গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে হত্যার অপরাধে প্রাক্তন দুই পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিল ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৩০ জন। এদের মধ্যে তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই সাজা ঘোষণা করে। তাঁরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পুলিশের প্রাক্তন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজনচন্দ্র রায়কে। দু’জনেই এখন জেলে রয়েছেন। যাবজ্জীবন সাজা হওয়া তিন আসামিও প্রাক্তন পুলিশকর্মী। তাঁরা হলেন প্রাক্তন সহকারী কমিশনার মহম্মদ আরিফুজ্জামান, প্রাক্তন পরিদর্শক রবিউল ইসলাম ও প্রাক্তন উপপরিদর্শক এসআই বিভূতিভূষণ রায়। তিনজনই পলাতক।

Advertisement

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য মহম্মদ হাসিবুর রশীদ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার, ওই দপ্তরের কর্মী, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্র লিগ (আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠন)-এর নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রশীদ-সহ ২৪ জন দোষী বর্তমানে পলাতক।

গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের রাবার বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সাঈদ। পুলিশের বন্দুক থেকে ছুটে আসা রাবার বুলেটের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন মাটিতে। আবু সাইদের মৃত্যুতে আন্দোলনের আগুনে ঘি পড়েছিল। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো ছবি। পরবর্তীকালে শহিদ এই ছাত্রই হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.