৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo দিল্লি ২০২০ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: গোরস্থান থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে একের পর এক কঙ্কাল। এহেন ঘটনায় হতবাক মৃত ব্যক্তিদের পরিজনেরা। কীভাবে ঘটছে এই কাণ্ড? এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নাজেহাল পুলিশও।

কঙ্কাল ‘হারিয়ে যাওয়া’র ঘটনাগুলি ঘটেছে বাংলাদেশের উত্তর জনপদ দিনাজপুরের কবরস্থানে। এখনও পর্যন্ত গায়েব হয়েছে প্রায় ২২টি দেহের অবশেষ। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সোমবার তাঁরা দেখতে পান যে চারটি কবরের বেড়া খোলা ও মাটি সরানো। পরে গ্রামবাসীরা কঙ্কাল চুরির ঘটনা জানতে পারেন। আরও চুরির আশঙ্কায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়েছে বলেও তারা জানান। প্রায় দেড়মাস ধরে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। দ্রুত এই রহস্য সমাধান করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’ তবে পুলিশ আশ্বাস দিলেও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মানব কঙ্কালের চড়া বাজার রয়েছে। সহজে মোটা টাকা আয়ের লোভে মেডিক্যাল কলেজের কর্মী ও পড়ুয়াদের একাংশ এই চক্রে জড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় দুষ্কৃতীদের মদতে কবরস্থান থেকে লোপাট করা হচ্ছে মানব কঙ্কাল। কয়েক মাস আগেই টাঙ্গাইল ময়মনসিং-সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কঙ্কাল উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাঝে মধ্যে কেউ ধরা পড়লেও মূলচক্রীরা প্রায়ই থেকে যায় ধোরাছোঁয়ার বাইরে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে কবর খুঁড়ে লাশ ও কঙ্কাল চুরি চরম অনৈতিক কাজ বলে গণ্য করা হলেও, দেশের প্রচলিত আইনে এই বিষয়ে কোনও বিচার বা শাস্তির স্পষ্ট বিধান নেই। ফলে অপরাধীরা ধরা পড়লেও আইনের ফাঁকফোকর গলে তারা পার পেয়ে যায় সহজেই।

[আরও পড়ুন: ভারতে অস্থিরতার জের! সীমান্ত এলাকায় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করল বাংলাদেশ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং