Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

শরণার্থী শিবিরে ৫৯ এডস রোগী শনাক্ত, উদ্বিগ্ন হাসিনা সরকার

আরও অনেক এডস আক্রান্ত শরণার্থীদের ভিড়ে মিশে রয়েছেন, বলছে রিপোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৩:১২

options
link
শরণার্থী শিবিরে ৫৯ এডস রোগী শনাক্ত, উদ্বিগ্ন হাসিনা সরকার zoom

কৃষ্ণকুমার দাস: এমনিতে ১১ লক্ষ শরণার্থীর থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসার দায়িত্ব, তার উপর নতুন বিপদের ঘণ্টা বাজিয়ে দিল একসঙ্গে ৫৯ জন রোহিঙ্গা এডস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ায়। তবে যাঁরা অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন শুধুমাত্র তাঁদের ক্ষেত্রেই এই মারণ রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য অধিকর্তা মিসবাহউদ্দিন আহমেদ স্বীকার করেছেন, ‘এডসের থাবায় অসুস্থ হয়ে যন্ত্রণা নিয়ে শিবিরে আসার পরই আমরা এই ৫৯ জনকে জানতে পেরেছি। তবে ক্যাম্পে অন্যান্য অসুখ নিয়ে চিকিৎসা করতে যাওয়া বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্মীর রিপোর্ট বলছে, আরও অনেক এডস আক্রান্ত শরণার্থীদের ভিড়ে মিশে রয়েছেন।’

[‘কেরিয়ার শেষ করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করতেন প্রফেসর’, অভিযোগ মহিলার]

Advertisement

যে ৫৯ জন এডস রোগীর সন্ধান মিলেছে তার মধ্যে ৩৭ জন মহিলা। এবং এদের প্রত্যেকের বয়স ৪০-এর নিচে। স্বভাবতই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কারণ, দালালচক্রের হাত ধরে রোহিঙ্গা নারীদের একটা অংশ প্রথমে কক্সবাজার ও পরে দেশের অন্য প্রান্তে যৌন পেশায় ঢুকে পড়ছেন। তাই একবার যদি কোনও এডস আক্রান্ত তরুণী কক্সবাজারের কোনও হোটেল বা রিসর্টে এই পেশায় ঢুকে পড়েন তবে পর্যটকদের শরীরে অবলীলায় ঢুকে পড়বে। প্রথমে সেই পর্যটক বুঝতে না পারলেও পরে যখন অসুস্থতা ও যন্ত্রণা উপলব্ধি করবেন, ততদিনে অন্যের শরীরে প্রবেশে ভূমিকা নিতেও পারেন তিনি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন মহম্মদ আবদুস সালাম জানিয়েছেন, ‘আক্রান্তদের সম্পূর্ণ পৃথক ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসার পাশাপাশি নজরদারির ব্যবস্থা হয়েছে। কারণ হাসপাতাল থেকে এই রোগীরা একবার পালিয়ে শরণার্থী শিবিরে মিশে গেলে খুঁজে বার করা কঠিন হবে।’

[২০১৮-তে মঙ্গলে পাড়ি দিতে চলেছেন ১ লক্ষ ভারতীয়!]

গত তিন মাসে দফায় দফায় মায়ানমার থেকে সেনা নির্যাতনের জেরে রোহিঙ্গারা কক্সবাজার লাগোয়া উখিয়া ও টেকনাফ জেলায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে একটা বড় অংশই শিশু ও নারী। কারণ পুরুষরা হয় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে মারা গিয়েছেন, নয়তো জখম অবস্থায় গ্রেপ্তার হয়ে মায়ানমার জেলে বন্দি আছেন। উখিয়া ও টেকনাফে শরণার্থী শিবিরে ত্রাণের কাজে অংশ নেওয়া ইউনিসেফের আধিকারিকরাও স্বীকার করেছেন, যে সংখ্যায় এডস আক্রান্ত ধরা পড়েছে, প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। উপজেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, শিবির চালু হওয়ার পর সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম একজন এডস রোগী ধরা পড়ে। এরপর অক্টোবরে ২৪ এবং নভেম্বর মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৫৯ জন রোহিঙ্গাকে এডস রোগী বলে শনাক্ত করেছেন চিকিৎসকরা। স্বভাবতই শরণার্থীদের তরফে দেশে নয়া মারণরোগের বার্তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন শেখ হাসিনা সরকার।

[‘একা বার্মিজ সেনা নয়, রাখাইনে হিন্দুদের হত্যা করছে রোহিঙ্গা জঙ্গিরাও’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.