Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

শ্রমিক মহল্লায় বেপরোয়া ট্রাক, ঘুমের মধ্যে প্রাণ গেল ১৩ জনের

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০১৯, ১৪:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০১৯, ১৪:৫১

options
link
শ্রমিক মহল্লায় বেপরোয়া ট্রাক, ঘুমের মধ্যে প্রাণ গেল ১৩ জনের zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঘুমন্ত অবস্থায় ট্রাক চাপা পড়ে প্রাণহানি ১৩ জন শ্রমিকের। বাংলাদেশের কুমিল্লার চৌড্ডাগ্রামের দুর্ঘটনায় শ্রমিক পল্লিতে হাহাকার। নিহতদের মধ্যে ৭ জন একই পরিবারের সদস্য। শুক্রবার ভোরে দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটি কয়লাবোঝাই ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

কুমিল্লা জেলার চৌড্ডাগ্রামের নারায়ণপুর। শুক্রবার ভোরে সেখানকার এক ইটভাঁটা সংলগ্ন শ্রমিক পল্লিতে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন দিনমজুররা। কাছেই দাঁড়িয়েছিল একটি ট্রাক। ইটভাঁটায় ট্রাকটি গিয়েছিল কয়লা খালাস করতে। সকাল হলেই তা করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঘটে গেল ভয়ঙ্কর বিপত্তি। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ট্রাকটি চালু করে নির্দিষ্ট জায়গায় কয়লা জমা করতে চেয়েছিলেন চালক। সেইমতো ট্রাক পিছিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু খেয়াল করেননি, যে পথে ট্রাক পিছোচ্ছিল, সেই পথেই ছিল শ্রমিক বসতি। ফলে বেখেয়ালেই ঘুমন্ত শ্রমিকদের ওপর দিয়ে চলে যায় ট্রাকের চাকা। ঘটনাস্থলে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় ১৩ জন শ্রমিকের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চৌড্ডাগ্রাম থানার পুলিশ। পৌঁছান দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীরাও। উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের খোঁজ শুরু করেন সকলে। ওসি আবদুল্লা আল মেহফুজের কথায় – ‘মৃত ১৩ জনের মধ্যে ১০ জনই হিন্দু। এদের মধ্যে আবার ৭ জন একই পরিবারের সদস্য। নিহতদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ট্রাকটি পিছন দিকে চলতে শুরু করায় পুরো শ্রমিক বসতিটাই ভেঙে গিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, তদন্ত করে দেখছি।’

Advertisement

কুমিল্লার ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ আবুল ফজল মীর ঘোষণা করেছেন, নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেবে পুলিশ প্রশাসন। অন্যদিকে, ইটভাঁটার মালিকপক্ষ পরিবার পিছু ১০ হাজার টাকা করে সাহায্য ঘোষণা করেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লার ইটভাঁটায় কাজ করতে যান বহু যুবক। অনেক ১৮ পেরনো যুবক আবার পরিবারের বড়দের হাত ধরেই ইটভাঁটার কাজে চলে আসেন। সেভাবেই রায় পরিবারের নানা বয়সী সদস্য এই চৌড্ডাগ্রামের ইটভাঁটায় রীতিমতো বসবাস করছিলেন। সেই কাজের জায়গাই কেড়ে নিল প্রাণ। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কাছে টাকার মূল্য আর কতটাই বা? রোজগেরে সদস্যদের হারিয়ে পরিবারগুলি কার্যত দিশেহারা।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.