সুকুমার সরকার, ঢাকা: সাংবাদিক সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় বিচার নিয়ে এবার সোচ্চার রাষ্ট্রসংঘ। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় এক দশক কেটে গেলেও এখনও অধরা হত্যাকারীরা। জটিল সব মামলার বিচার-শাস্তি কাযকর হলেও এ মামলাটির হালহকিকত সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। ফলে দেখা দিয়েছে একাধিক প্রশ্ন।
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহীতে হবে বাংলাদেশ-ভারত কালচারাল মিট]
সাগর-রুনি হত্যা মামলার অনুসন্ধান শেষ না হওয়া ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের সম্মুখীন করতে না পারার ব্যর্থতার কারণে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন। শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিশেজ্ঞরা বলেছেন, দুজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের পর এক দশক পার হলেও এখনও কোনও বিচার হয়নি। বাংলাদেশে এক ভয়ানক এবং ব্যাপক দায়মুক্তির সংস্কৃতি বিরাজ করছে। এদিকে আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে গত ১০ বছরে আদালতে ৮৫ বার সময় নিয়েও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। তবে পুলিশের এই এলিট ফোর্সটি বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন শিগগিরই দেওয়া হবে।
শুক্রবার রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে সংবাদিক সম্মেলনে র্যাব-এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমরা চাই, কোনও নিরপরাধ ব্যক্তি যেন দোষী সাব্যস্ত না হয়। সব তদন্ত অল্প সময়ে হয় না। তদন্ত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকায় পৌঁছেছে। ডিএনএ রিপোর্টগুলি আমরা কয়েকদিন আগে হাতে পেয়েছি সেগুলি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের তদন্তের অগ্রগতি কতটুকু হয়েছে আমরা টাইম টু টাইম সেসব বিষয় আদালতকে অবহিত করেছি। তারপর থেকেই কিন্তু আদালত আমাদের সময় দিয়েছে। আমরা আশা করি সবার সহযোগিতায় শিগগিরই তদন্ত প্রক্রিয়ার সবশেষ অবস্থা জানাতে পারবো।”
উল্লেখ্য, দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনিকে তাঁদের ঢাকার বাড়িতে দম্পত্তির পাঁচ বছরের ছেলের সামনে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। উচ্চ আদালত র্যাবকে এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেন। ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর উচ্চ আদালত ৮৪তম বারের মতো র্যাবকে তাদের তদন্তের ফলাফল জমা দিতে বলেন। যা এখনও সম্পন্ন হয়নি। রাষ্ট্রসংঘ বলছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কৃত অপরাধের বিচার না হলে তা মিডিয়াকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানোর উদ্দেশ্যে দোষীদের উৎসাহ দেয় এবং আরো আঘাত, ভীতি ও হত্যাকে ত্বরান্বিত করে।
[আরও পড়ুন: প্রতিবেশী প্রথম নীতিতে জোর, বাংলাদেশে সরাসরি কয়লা রপ্তানি করতে চায় ‘কোল ইন্ডিয়া’]
সর্বশেষ খবর
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু
-
তৃণমূলের আসল দাবিকার কে? মমতা ও ঋতব্রতদের চিঠি কমিশনের, সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব
-
স্বামীকে হত্যার মহড়ার স্থানে পুলিশের সঙ্গে সিয়া! রাজি লাই ডিটেক্টর টেস্টে বসতেও
-
ছোট বোনের পর এবার বিয়ের পিঁড়িতে কৃতী শ্যানন? ফাঁস করলেন ভগ্নিপতি
-
মধ্যমগ্রাম স্টেশনে আপাতত বন্ধ বুলডোজার অ্যাকশন! ডিভিশন বেঞ্চেও বহাল অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ