Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

রোহিঙ্গাদের ‘বোঝা বইতে হবে’ বাংলাদেশকেই, বিদেশমন্ত্রীকে চিঠি ১২ মার্কিন সেনেটরের

মানবিকতার খাতিরে প্রায় এগারো লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২১, ১১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২১, ১১:০০

options
link
রোহিঙ্গাদের ‘বোঝা বইতে হবে’ বাংলাদেশকেই, বিদেশমন্ত্রীকে চিঠি ১২ মার্কিন সেনেটরের zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: মানবিকতার খাতিরে প্রায় এগারো লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। কিন্তু এবার আশ্রয়দাতাদেরই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ। রোহিঙ্গা শিবিরগুলি হয়ে ওঠেছে সন্ত্রাসবাদীদের চারণভূমি। এহেন পরিস্থিতিতে মায়ানমারের ফেরত না পাঠানো পর্যন্ত শরণার্থীদের ‘বোঝা বইতে হবে’ বাংলাদেশকেই বলে এক চিঠিতে উলেখ করেছেন ১২ জন মার্কিন সেনেটর।

[আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচারের আশ্বাস বাংলাদেশের মন্ত্রীর]

জানা গিয়েছে, ৫ নভেম্বর বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে যৌথভাবে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ৯ মার্কিন সিনেটের জেফ মার্কলে, বেন কার্ডিন, ডিক ডারবিন, ক্রিস কুন্স, রন ওয়াইডেন, ক্রিস ভ্যান হলেন, এড মার্কি, করি বুকার ও এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং রিপাবলিকান পার্টির তিন সিনেটর মার্কো রুবিও, সুজান কলিন্স ও রজার উইকার। ওই চিঠিতে রোহিঙ্গাদের রাখাইনের ফেরত পাঠানো পর্যন্ত তাদের সুরক্ষার ‘বিরাট বোঝা’ ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে’ বাংলাদেশকে বয়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা।

Advertisement

২০১৭ সালে রাখাইনে বার্মিজ সেনার সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা (Rohingya)। রাখাইন প্রদেশ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে আপাতত ঢাকার আশ্রয়ে রয়েছে অন্তত ১১ লক্ষ শরণার্থী। হাসিনা সরকারের এঅ মানবিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন মার্কিন সেনেটররা। বিদেশমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সময় রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সরকারের ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন তাঁরা। তবে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, শিক্ষা কার্যক্রম, জীবিকার সুযোগ সীমিত হওয়া ও ভাসানচরে ‘বলপূর্বক’ স্থানান্তরের মতো বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটররা উদ্বিগ্ন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িয়েছে রোহিঙ্গারা। শরণার্থী শিবিরে বসে তোলাবাজি-ডাকাতি, অস্ত্র ব্যবসা, কিশোরী-তরুণীদের দিয়ে হোটেলে নিয়ে দেহব্যবসা ও বিদেশে পাচার থেকে হেন কোনও অপকর্ম বাদ নেই তাদের। এদের জ্বালায় অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারাও। এহেন দস্যিপনার জন্য এবার তারা কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশের পাহাড়ে গড়ে তুলেছে অস্ত্র তৈরির কারখানা।

[আরও পড়ুন: একেই বলে ‘চিনা মাল’! চিন থেকে যুদ্ধজাহাজ কিনে বেকায়দায় বাংলাদেশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.