Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
West Bengal

মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় আটক বাংলার আরও ১৮, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের

সঠিক পরিচয়পত্র থাকার পরেও আটকে রাখার অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৫, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৫, ১৫:০৬

options
link
মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় আটক বাংলার আরও ১৮, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের zoom
প্রতীকী ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা, তেহট্ট, বনগাঁ, নদিয়া: ভিনরাজ্যে মাতৃভাষায় কথা বললেই ভিলেন বলে দাগিয়ে দিচ্ছে সে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন। এনিয়ে রাজ্যের মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায় ইতিমধ্যেই বিজেপি শাসিত রাজ‌্যগুলির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে প্রতিবাদ-আন্দোলন শুরু করেছেন। এরই মধ্যে বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ নদিয়ার চাপড়া, রানাঘাট ও উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের একাধিক যুবককে আটকে রাখা হয়েছে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানায়। ছেলেদের খোঁজ না পেয়ে নিদারুণ উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে তাঁদের পরিবার।

গত ১৫ বছর ধরে হরিয়ানায় পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করছেন চাপড়ার বাঙালঝির বাসিন্দা সুকুর আলি শেখ, বসির আলি শেখ, অনাছ শেখ ও বাপ্পা শেখ-সহ চাপড়ার বেদবেড়িয়া, গোয়ালডাঙা, বড় বালিডাঙা-সহ একাধিক গ্রামের প্রায় ১৫ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা সেখানে ভাঙা লোহালক্কড় কেনাবেচার কারবার করতেন। চারদিন আগে তাঁরা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান বলে অভিযোগ। পরিবারের সদস‌্যরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, বাংলায় কথা বলায় হরিয়ানার পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁদের তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখেছে। ভারতের নাগরিকত্বের প্রমাণ দেওয়া সত্ত্বেও তা গ্রাহ্য করেনি। এরপরই চাপড়া থানার পুলিশের সহায়তায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ অন্যান্য নথি পাঠানো হয়। কিন্তু এখনও তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়নি।

Advertisement

অন‌্যদিকে, মহারাষ্ট্রে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে গিয়ে গত ৭ মাস ধরে সেখানে সংশোধনাগারে বন্দি রানাঘাট থানার রায়নগর মাঠপাড়ার নয়ন ও মণিশঙ্কর বিশ্বাস। গত ২৭ ডিসেম্বর পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। যদিও, গ্রেপ্তারির কারণ অজানা তাঁদের বাবা নিশিকান্ত ও মা পুষ্প বিশ্বাসের। চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। আবার বাংলাদেশি সন্দেহে মুম্বইতে আটক হওয়া গোপালনগরের যুবক বিবেক গোস্বামীর বাড়ি গেলেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। সেখানে যুবকের পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। সম্প্রতি, মুম্বই পুলিশ বাংলায় কথা বলার জন‌্য তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিবেকের বাবা কানাইলাল গোস্বামী বলেন, ‘‘ছেলের এদেশের সমস্ত প্রমাণপত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি বলে আটকে রেখেছিল বলে জানতে পেরেছিলাম। পরে শুনেছি, ছেড়ে দিয়েছে কিন্তু এখনও যোগাযোগ করতে পারিনি।’’ ভিনরাজ্যে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে আগামীতে মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকেও বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে বলে এদিন জানান মমতা ঠাকুর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.