Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬

বান্ধবীকে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে কালভার্টে ধাক্কা, মৃত দু’জনই

এবারই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল মৃতার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০১৯, ২০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০১৯, ২০:০৮

options
link
বান্ধবীকে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে কালভার্টে ধাক্কা, মৃত দু’জনই zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

বিপ্লবচন্দ্র দত্ত,কৃষ্ণনগর: বান্ধবীকে মোটরবাইক চালানো শেখাচ্ছিলেন এক যুবক। কিন্তু তার যে এমন নির্মম পরিণতি হবে, কেউ কল্পনাও করেননি। বাইকটি সজোরে গিয়ে ধাক্কা মারে কালভার্টে। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান দুজনই।

এমন মর্মান্তিক ঘটনায় থমথমে নদিয়ার কোতোয়ালি থানার জয়পুর। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই যুবকের নাম অজয় ঘোষ (২০) এবং তরুণী ডলি দেবনাথ (১৭)। অজয়ের বাড়ি কোতয়ালী থানার গোয়ালদহ গ্রামে। ডলি ওই থানারই ইছাপুরের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই অজয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব ডলির। বুধবার সন্ধেয় অজয় তাঁর বান্ধবী ডলিকে মোটরবাইক চালাতে শেখানোর চেষ্টা করছিলেন। হঠাৎই তাঁদের বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তাযর পাশে কালভার্টে গিয়ে ধাক্কা মারে। সজোরে ধাক্কা লাগায় ভেঙে যায় কালভার্টের একটি অংশ। বাইক থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন যুবক ও তরুণী। ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দুজনকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

Advertisement

[বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় পরিত্যক্ত কয়লা খনিতে ধস, মৃত ২]

দুজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া। তাঁদের বাড়ির লোকজন জানতেন না তাঁদের মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না। স্থানীয় যাত্রাপুর হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল ডলির। তার বাবা চাষাবাদের কাজ করেন। ডলিরা দুই বোন। আকস্মিক দুর্ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বাড়ির সকলেই। ডলির কাকা মহেশ দেবনাথ বলছিলেন,’ওদের মধ্যে কোনও প্রেম ছিল কি না, তা আমাদের জানা নেই। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল,তাও জানি না। ফোনে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে গিয়ে দেখি, দুজনের মৃতদেহ পড়ে আছে।” তিনি আরও জানান, সেই সময় ডলি টিউশন পড়তে গিয়েছিল। তারপরই আসে দুর্ঘটনার খবর।

এদিকে অজয় মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার পর মার্বেলের কাজ করতেন। অজয়রা দুই ভাই। বাবা পেশায় ট্রলি চালক। বুধবার রাতে তাঁর বাড়ির পাশেই ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিয়েবাড়ি থেকে একটা মোটরবাইক চেয়ে নিয়ে বেরিয়েছিল অজয়। সেই বাইক নিয়েই বান্ধবী ডলিকে বাইক চালানো শেখাচ্ছিলেন। তারপরই ঘটে দুর্ঘটনা। অজয়ের বাড়ির লোকেরাও দুর্ঘটনার কারণ জানেন না। পুলিশের অনুমান, অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বাইক চালাতে গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.