Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
2024 Lok Sabha Election

‘বেইমানি করলে সুদে-আসলে বুঝে নেব’, ভোট নিয়ে দলীয় কর্মীদেরই হুঁশিয়ারি শওকতের

যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে গিয়ে শওকত বললেন, 'ভাঙড়ে সায়নী ঘোষকে বিপুল ভোটে লিড দিন। তিন বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, দেড় বছরে সেই উন্নয়নের দায়িত্ব আমি কাঁধে তুলে নিলাম।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪, ১৪:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪, ১৪:২৭

options
link
‘বেইমানি করলে সুদে-আসলে বুঝে নেব’, ভোট নিয়ে দলীয় কর্মীদেরই হুঁশিয়ারি শওকতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট প্রচারে গিয়ে ফের বিস্ফোরক ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। দলীয় কর্মীদেরই হুমকি দিয়ে বসলেন তিনি! বললেন, ”দলে থেকে কেউ বেইমানি করলে ৪ জুনের পর সুদে-আসলে বুঝে নেব। কোনও নেতা যদি কারও কাছে ভিখারির মতো হাত পেতে পয়সা নেয়, দল কড়া ব্যবস্থা নেবে।” যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh)সমর্থনে শনিবার ভাঙড়ে একটি জনসভা করেন শওকত। সেখান থেকে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

লোকসভা ভোটের (2024 Lok Sabha Election) প্রচারে এখন সরগরম গোটা বাংলা। দিকে দিকে সব রাজনৈতিক দলের প্রচারের পারদ চড়ছে। তারই মধ্যে নেতা-মন্ত্রীদের মুখ ফসকে বেরনো নানা মন্তব্য আলোচনার বিষয় হয়ে উঠছে। যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিতর্কিত নেতা শওকত মোল্লা। যাদবপুরের (Jadavpur)তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে ভাঙড়ে জনসভা করতে গিয়ে তিনি দলীয় কর্মীদের বোঝাচ্ছিলেন, সায়নীকে জেতাতে কীভাবে কাজ করতে হবে। শওকতের কথায়, ”ভাঙড়ে সায়নী ঘোষকে বিপুল ভোটে লিড দিন। তিন বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, দেড় বছরে সেই উন্নয়নের দায়িত্ব আমি কাঁধে তুলে নিলাম। ক্যানিং পূর্বে যে উন্নয়ন হচ্ছে, ভাঙড়ে আমি সেই উন্নয়ন যদি না করে দেখাতে পারি, তাহলে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ভোট চাইতে আসব না, এটা প্রতিশ্রুতি দিলাম।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপির মুখোশ খুলতে মহুয়াকে জেতান’, কৃষ্ণনগরের ইতিহাস তুলে রাজমাতাকে তোপ মমতার]

এর পরই বেফাঁস মন্তব্য শোনা গেল তাঁর গলায়। দলীয় কর্মীদেরই হুমকির সুরে শওকত বললেন, ”তৃণমূল নেতারা যাঁরা আছেন, তাঁদের উদ্দেশে বলি, সকলকে কাছে টেনে নিতে হবে। একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভালো না লাগলে চলে যান, কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু দলে থেকে যারা বেইমানি করবে, ৪ জুনের পর সুদে-আসলে কড়ায়-গণ্ডায় তাদের বুঝে নেব, এটা যেন মাথায় থাকে।”

[আরও পডুন: ‘কুরুক্ষেত্র’ বারাকপুর, পার্থ-অর্জুনের ‘মহাভারতে’ শেষ হাসি কার? ফ্যাক্টর হবে বামেরা?]

এই মুহূর্তে একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক শিবিরের নেতাদের কোণঠাসা করতে উঠেপড়ে লেগেছেন বিরোধীরা। তা নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বার বার সতর্কবার্তা দিয়েছে। সে পথে হেঁটেই শওকতও সতর্ক করলেন দলীয় কর্মীদের। ভাঙড়ের জনসভা থেকে তিনি বলেন, ”কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করা যাবে না। কোনও নেতা যদি কারও কাছে ভিখারির মতো পয়সা নেয় দল কড়া ব্যবস্থা নেবে।’’ এদিন শওকতের নিশানায় ছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। তাঁর উদ্দেশে শওকতের খোঁচা, ”বিজেপির নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে চলছে নওশাদ। তাই বিজেপির বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.