রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: খাতায় কলমে ৬৫ শতাংশ বুথে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়েছে। বাকি ৩৫ শতাংশ বুথে দলীয় সংগঠন সেভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি এখনও। শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো পালটা মজবুত সংগঠন এখনও গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি ওই ৩৫ শতাংশ বুথে। এই ৩৫ শতাংশ বুথে শক্তিশালী বুথ কমিটি গঠন না হওয়াটাই বিধানসভা ভোটের আগে চিন্তায় রেখেছে বঙ্গ বিজেপিকে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় সংগঠনের দুর্বলতাও ভাবাচ্ছে বিজেপি নেতাদের।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের অধীন ২৯৪টি বিধানসভা এলাকার দলের সাংগঠনিক অবস্থা, প্রাপ্ত ভোটের হিসাব, এসব কিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে টানা প্রায় সাতদিন ধরে চলা দিল্লির বৈঠকে। যেখানে রাজ্য নেতাদের থেকে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননরা। এই আলোচনাতেই উঠে এসেছে বুথভিত্তিক সংগঠনের বিষয়টি। যেখানে দেখা যাচ্ছে ৬৫ শতাংশ বুথে দলের সংগঠন শক্তিশালী। সেখানে বুথ কমিটিও হয়েছে। বাকি যেখানে বুথ কমিটি করা যায়নি এখনও সেগুলি মূলত মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর, বহরমপুর, মালদহ দক্ষিণ ইত্যাদি লোকসভা কেন্দ্র গুলিতে। এই লোকসভা কেন্দ্রগুলি বিজেপির দখলে নেই। আর এখানে মূলত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। যেখানে বিজেপির সংগঠন অনেকটাই দুর্বল। এটা স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতেই বুথ কমিটি করার ক্ষেত্রে একটু দুর্বলতা রয়েছে। দিলীপবাবুর দাবি, ৯০ শতাংশ বুথেই কমিটি হয়ে যাবে।
[আরও পড়ুন: ‘সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি কী হবে উনি বুঝবেন কী করে?’, স্কুল খোলা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের]
রাজ্যে ৩৬টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ব্লক রয়েছে। সেখানে দলের সংগঠন বাড়াতে সংখ্যালঘুদের কাছে বিজেপি ভীতি কাটানো দরকার বলে মনে করছে দলের একাংশ। সেক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের মধ্যে থেকে বহু মুখকে তুলে এনে রাজ্যে বিজেপির কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে দলের নেতারা। দলের বিভিন্ন কমিটিতে সে রাজ্য থেকে জেলা, মন্ডল কিংবা ব্লকস্তর, সেখানে সংখ্যালঘু মুখকে জায়গা করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রের মোদি সরকার যে সংখ্যালঘুদের কল্যাণে কাজ করছে সেটাও আরও বেশি বেশি করে ওইসব এলাকায় প্রচার করার জন্য রাজ্য নেতৃত্বকে নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। দিলীপ ঘোষের দাবি, সংখ্যালঘুদের কল্যাণে কাজ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারই। পলিটেকনিক কলেজ, হোস্টেল, স্টাইপেন্ডের ব্যবস্থা। আর তৃণমূল খালি সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপি ভীতি ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
[আরও পড়ুন: চল্লিশের ঊর্ধ্বে আর যুব তৃণমূলে নয়, জেলা কমিটি গড়তে নির্দেশ অভিষেকের]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার